ঢাকের বোলে বাজছে দেখো বিশাদেরই সুর,
মা চললেন ঘরে ফিরে দলন করিয়া অসুর।
চারিদিকে দেখো কেমন চলছে সিঁদূর খেলা,
সবার আঁখি আর্দ্র দেখি আজি বিদায় বেলা।
"আসছে বছর আবার হবে" এই টুকু যা আশা,
সেই আশাতেই একটি বছর প্রতিক্ষাতে থাকা।
এবার তোমায় বিদায় জানাই মিষ্টি মুখে মাগো;
জানি বছর পরে নতুন সাজে ঠিক তোমাকে পাবো।
মোদের এবার ফেরার পালা বিসর্জনের শেষে;
গুরুজনদের জানিয়ে প্রণাম, ছোটদের ভালবেশে,
মিষ্টিমুখ করব সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছাতে ভেসে।
বছর ভরের প্রতিক্ষা ফের মাগো তোমার পথ চেয়ে,
আসবে তুমি সামনে বছর নতুন আশা নিয়ে।।
শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮
শুভ বিজয়া
বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮
বাংলাকে ভালবেশে
আমি বাংলায় কথা বলি
করি বাংলায় লেখা লেখি
আমি বাংলার পথে পথে খুঁজি বাংলার সুখ স্মৃতি
আমি বাংলায় ছবি আঁকি
কাটি বাংলায় আঁকিবুকি
আমি দূরে গিয়ে বার বার এই বাংলায় ফিরে আসি
আমি বাংলায় পড়ি রবীন্দ্রনাথ,
বাংলায় কাজী নজরুল,
এই বাংলায় বিদ্রোহ করি দিয়ে সবটুকু সম্বল
আমি বাংলায় চেয়ে বিদায় মা গো
তব সিক্ত করেছি অঞ্চল
তবু বাংলা আমার ভরশা মাগো বাংলা মনের বল।
আমি বাংলাকে ভালবেশে
মুক্ত করেছি দেশ,
আমি বাংলা গানে আজো দিয়ে যাই মুক্তির সন্দেশ
আমি বাংলায় রাঁধি খাই
বাংলার গুন গাই
আমি বাংলার বাতাসেই তাই মুক্তির স্বাদ খুঁজে পাই।
বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৮
এবার তুই হাসত
ছাতিম ফুলের গন্ধ
ঢাকের তালের ছন্দ🎶💃
নতুন কাপড় জামায়👘👗
নতুন প্রেমের গল্প💋
পূজোর ছুটি অল্প
কতনা আড্ডা গল্প
রাত জেগে একসাথে
ঠাকুর দেখার শর্ত
সবাই মিলে খাবার পাতে,
হতেই হবে ব্যাস্ত🍴🍲🍜
এত খুশির দিনেও
তোমার মনে কষ্ট?😞😞
নাহয় তুমি শাস্তি দিয়ো
আমায় আপন হস্ত✋👊👋
এবার ভুলে কষ্টযত
একবার তুই হাসত
😊😊😊😊😊😊😊
রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮
সপ্তপর্ণী
শরতের এই শেষবেলায় বাতাসে হেমন্তের আঁচ
শিশির ভেজা সন্ধ্যায় পাগল পারা সুবাস
ছাতিম ফুলের মধু গন্ধে ভরেছে বাতাস
দুরে কোথাও মায়ের বোধন বাজছে দেখো ঢাক।।
চিরসবুজ গাছটি করে ছায়ার বিস্তার
ছাতিম তলায় পড়তে বসার আর নেইকো পাঠ
ঔষধি গুন যা আছে তার সবই ভুলেছি আজ
তবু দেখো গন্ধ বিলোয় কেমন নির্বিকার
মূলাবর্তে সাতটি পাতা "সপ্তপর্ণী" নাম
বিস্মৃত প্রায় পুষ্প, শরত সন্ধ্যার আঘ্রাণ
চার পাপড়ির সাদা ফুলে ঢেকে দেয় গাছ
সুতিব্র ঘ্রাণ সঙ্গে আনে শিতের হীমেল আঁচ
মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৮
রইনু আমি একা
একা ছিলাম খাসা ছিলাম মনের আনন্দেতে!
ইচ্ছে পাখির পাখায় পাখায়, পাগল মনটারে
উড়িয়ে দিতাম যখন তখন দুর আকাশপারে;
সুখের ভেলায় গা ভাসিয়ে কাটছিল দিন সুখে।
আসে পাশে সবাই দেখি, দাম দিয়ে দুখ্ কেনে।
সবাই সদাই বলতে থাকে, দূঃখি ছেলে আহা;
একা একাই ঘুরছে দেখো সঙ্গি, সাথী ছারা।
আমি তখন-আপন মনে আপনি আত্মহারা;
কাটছিল বেশ হচ্ছিল শেষ, জীবণ বাঁধনছারা।
লোকের কথা শুনে শুনে আমি পাগলপারা।
মরুভুমিতে খুঁজতে বেরই আমি মরীচিকা।
নিঃঝুম রাতে যখন সবার ঘুমিয়ে পরার কথা;
এমন সময় দৈবযোগে তোমার পেলাম দেখা।
কথায় কথায় এমন করে অনেক সেরাত জাগা;
এমন করেই কখন যেন একটু কাছে আসা;
মনের কোনে জাগিয়ে তোলে টুকরো টুকরো আশা।
কখন যেন বাঁধন যত ভাঙলো যে তার বাধা!
শরীর ও মন একই সুতায় পড়ল কখন বাঁধা?
পরস্পরকে কাছে পেতে আলোর বেগে ছোটা!
বাঁধলো যে গোল তখন থেকেই, ভুল বুঝিবা করা।
সুখের মোহো কাটিয়ে উঠে দাম দিয়ে দুখ্ কেনা;
একুল গেলো ওকুল গেলো রইনু আমি একা।।
সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৮
নিঃস্ব
সব কিছু তোমায় দিয়ে নিঃস্ব আমি যখন,
নিজেকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করি তখন
তোমার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া, আমার আমি তখন
ব্যাঙ্গ কোরে বলে আমায় যা ফিরে যা এখন।
প্রিয়ার এখন মনটা খারাপ, খুঁজতে হবে কারণ।
আরও অনেক কাজ রয়েছে, ভিষন ব্যাস্ত এখন।
হায়রে আমি নিঃস্ব এখন, নিঃস্ব ভিষন রকম।
একটু দূরে তফাত হয়ে দাঁড়িয়ে আমি এখন,
আপন মনেই দেখতে থাকি আপন রক্তক্ষরণ।
স্মৃতিপটে খুঁজতে বসি সুখের রাত্রি যাপন;
এই অধরে আজকে আমার হাসতে মানা বারণ;
একা একা অপেক্ষাতে আসবে কবে মরণ।।
শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৮
রোজ দেখা হয়
অফিসের পথে রোজ দেখি,
চলে যায় একা একা রিকশায়।
কলেজে নাকি অফিসে কি জানি কোথায়
রোজ শুধু একঝলক, একঝলক দেখা হয়।।
সুন্দরী না সেরকম কিছু নয়,
না মনে কোনো অনুভুতি জাগায়।
তবু মন কি জানি কি খোঁজে, প্রতিদিন রাস্তায়
আর কেনই বা আজ এখন সে এই কবিতায়।।
সেও কি করে লক্ষ আমায়,
করুক বা না করুক কি আসে যায়।
মন কেন কিসে আনন্দ পায়, কেইবা তা বোঝে
বেশ ভুশা নাকি ব্যক্তিত্ব কিজানি কি টানে আমায়।
নাম ঠিকানা কিছুই জানি না,
জানি না কিছু শিক্ষা সংস্কৃ্তির বিষয়।
তবু কেন জানি দেখে মনে হয়, শিক্ষিত নিশ্চয়
পরিপাটি বেশ যেন তার পছন্দের নমুনা দর্শায়।
যখন যেখানে কর্ম সুত্রে যাই,
এমনই কোন মানুষের দেখা পাই।
নাম না জানা মানুষ গুলো এমনই আপন হয়
ভাললাগা আর অভ্যেস কেমন আপনি পাল্টায়।।
বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৮
প্রণয়ের ছবি
মনের তুলিতে সোহাগের রঙ মেখে
প্রণয়ের ছবি আঁকি তব দেহ পটে
ফাগুন বাতাসে যেমন মহুয়ার গন্ধ ভাসে,
দেহ বাস তব মনকে মাতায়, কাছে ডাকে
বারে বারে তাই নিজেরে হারাই, তোমারে
খুঁজি, খুঁজে ফিরি একান্তে তোমাকে।
জানি নেই মোর অধিকার, এছবি আঁকিবার
তবু জেনো বার বার মন চায় পথ হারাবার
ওই উত্তাল উচ্ছল নদীর আঁকে বাঁকে, খুঁজে
ফেরে সেই সুতীব্র ঘ্রাণ, আর পেতে চায় স্বাদ
সেই অমৃত ঝর্নার, আহুতি দিতে চায় নিজেকে
তোমাতে, পাপ-পুণ্য ভুলে চায় মিলিতে তোমাতে।।
বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮
এত সহজে কি ভুলে যাওয়া যায়
এত সহজে কি ভুলে যাওয়া যায়,
যখন ভুলে যাওয়াটা দরকার মনে হয়;
আজ জুড়ে রয়েছো আমার কবিতায়;
একদিন তোমাকে ভুলে যাব নিশ্চয়।
তুমিও মনে রাখবেনা আমায় মনেহয়;
হোক সে তোমার ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়,
যদি মনে পরে কভু একা জানলায়;
টুকরো স্মৃতি, ব্যাথা, সপ্ন প্রেমময়,
যেনো ভুলে যাওয়া এত সহজ নয়।
সময়ের নিয়মে ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়,
দূরে সরে যাওয়া সেতো পাপ নয়।
তবু তার স্পর্শকে ভুলি কি উপায়;
কে কাকে ভুলিয়েছি সোহাগের গহনায়!
কারইবা হল জয়, কারইবা পরাজয়?
দুজনাই আজ বড় একা, বড় অশহায়;
সহজে কি সব ভোলা যায় এক লহমায়?
একসাথে ছুয়ে থাকা মূহুর্ত কতিপয়,
হৃদয়ের কোনে জেগে আছে অব্যয়।
ভুলে থেকো ভাল থেকো এটুকু হায়,
প্রার্থণা মাঙ্গি করজোড়ে হে দয়াময়।।
মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১৮
ক্লান্ত
ক্লান্ত বড়, ক্লান্ত বড়, ক্লান্ত লাগে আজ।
নিশ্বাসে নিশ্বাসে আজ ওঠে নাভীশ্বাস।
হাজার বছর ধরে পার হয়েছি কত পথ,
ধরতে চেয়ে হাত বাড়িয়েছি কতবার;
কত লক্ষ পৌঁছেছি, ভ্রষ্ট হয়েছি কত,
ধরে থাকা হাত ছেরে গেছে কতবার।
দেখেছি লজ্জারুণ চোখ, ঘৃণা, অপবাদ
সাজানো বাগান কত হয়েছে ছারখার।
সুখের ভেলায় আমি ভেসে গিয়েছি বহুবার
দূঃখের ডাকে তবু ফিরে ফিরে আসি,
জানি আর কোনো নেই পথ পালাবার।
কখনও কারও উদ্বেলিত বুক, দিয়েছিল,
দিয়েছিল ক্ষণিকের ভালবাসা মাখা
আশ্রয় সুখ, দুই চোখে সুপ্তি নেমেছিল।
ক্ষণিকের তরে, থেমে গিয়েছিল বেলা।
সিত অধরের অমিয় অমোঘ সে আকর্ষণ,
গভীর যতনে ভরেছি সোহাগে করেছি লেহন।
স্বেদ সিক্ত বাহুমুলের ওই সুতীব্র সুবাসে,
মেতেছি দেহজ প্রেমের অমল আমোদে।
পরতে পরতে উজাড় করেছি গভীর গহনে
হারিয়ে গিয়েছি জরিয়ে ধরেছি বক্ষ মাঝারে।
চোখ খুলে দেখি আমি একা একি
দাঁড়িয়ে রয়েছি খাদের কিনারে একোন আঁধারে?
সোমবার, ১ অক্টোবর, ২০১৮
আনন্দের ভাগ
মা আসতে আর তো কদিন,
বাজবে বোল তাক্ ধিনাধিন্।
সাজবে যে সব ওলি গলি,
আনন্দ আর আলোয় মাতি।
পাড়ার মোড়ের ব্যাস্ত গলি,
মাতবে পুজোর দিন গুলি।
চারিদিকে আলোর ছটায়,
অন্ধকারকে হার মানায়!
রাস্তা ঘাটে হেথায় হোথায়,
কারা যেন পসরা সাজায়।
ফুটপাতের ওই মানুষ গুলো,
এই কটাদিন কোথায় হারায়?
ভিড়ের মাঝে কোন্ সে খাঁজে,
এই কটাদিন ওরা লোকায়!
নতুন জামা নতুন জুতো,
ওদের কে কেইবা জোটায়?
সারা রাত্তির ভিড়ের মাঝে,
কোথায় ওরা কেম্ নে ঘুমায়?
পুজোর খুশি ওদের মনেও,
একই ভাবে দোলা কি দেয়?
কোটি টাকার মন্ডপে আর,
আরও দামি প্রতিমা সাজায়ে;
সবাই দেখো প্রথম হবার,
আপন আপন দাবি জানায়।
ওদের কথা ভাবার মোদের,
কোথায় এত ফালতু সময়।
গরীব ওরা বাঁচুক মরুক,
মোদের তাতে কি আসে যায়?
তবুও হঠাৎ চলার পথে,
ভুলেই যদি চোখ চলে যায়
সত্যি করে বলতে পারো,
চোখ দুটি কি ভেজে না হায়?
এসো না আজ সবাই মিলে,
আনন্দটা ভাগ করে নি।
পুজোর খরচ একটু নাহয়,
একটু নাহয়, কম করে দি।
ফুট পাথের ওই মানুষ গুলোর,
মাথার উপর ছাদ গড়ে দি?
মন্ডা মিঠাই হোক বা নাহোক,
দুবেলা দু'মুঠ ভাত তুলে দি।
সবাই মিলে এসো না আজ,
আনন্দটা ভাগ করে নি।।
অন্তরাল
সম্পর্কে চৈত্রের রুক্ষতা ঝরে পড়া স্মৃতি, উড়ায় কালবৈশাখী। আচমকা মনে জমে মেঘ বৃষ্টি নামে তেড়ে, ভেজায় দুই আঁখি। শীতলতার আমেজ দিয়ে উষ্ণতা ফে...
-
কবিতারা আজ দেখি হারিয়েছে ছন্দ ঠিক যেন জীবনের দেখি প্রতিবিম্ব দেখেশুনে জাগে মনে বহুবিধ দন্দ কবিতার গায়ে কেন গদ্যের গন্ধ কবিতা তো শিল্প সে ...
-
মনটা আমার ভিষণ ভালো, খোলা হাওয়ায় উড়ছি। রোজইতো তাই নতুন নতুন, বাঁচার কারণ পাচ্ছি। আবার আমি নতুন করে, নিজেকে সাজাবো। সাতরঙা এই জীবন টাকে, র...
-
বসন্ত উৎসব শেষে, শীতের আবেশ গেছে কেটে। চৈত্রের দাবদাহ জানান দিচ্ছে, আসছে বৈশাখ আসছে। পুরাতন বছর জানে, তার আসন্ন অবসান। শেষ হবার আগে, শেষ...