হারিয়েছি আজ অনেক কিছুই,অনেকখানি সময়
অনেক কিছু ধিরে ধিরে, কিছু একলহমায়
বসন্তের আগুন আলো, নীল আকাশ আর ওই দূর দিগন্ত
চিলে কোঠা, খোলা ছাদ, আর প্রানের বন্ধু সুমন্ত
হারিয়েছি ছুটির সেই আনচান করা দুপুর,
ফাটা বাঁশ আর মাটির টানা টানা অদ্ভুত বে-সুরো সুর।
প্রথম ভাললাগা, অস্ফুটে চেয়ে থাকা, আর
শস্তা কেবিনে কাছে পেয়ে প্রথম চুম্বনের আবদার।
কতকিছু এমনি হারিয়ে ফেলেছি, কালের অন্তরালে
ভালবাসা হীন লাভ লোকসান, শরীরে ঢেউ তোলে;
চাওয়া পাওয়া শুধু বুঝে নিতে চায় একে অপরের কাছে।
হৃদয় সেও হারিয়েছি কবেই হৃদয় হীনার কাছে
সুখ সপ্নের দিনগুলি মোর জীবনের কোন বাঁকে
হারিয়েছি আমি, বারিয়েছি হাত অর্থের স্বাদ পেতে
ওরা কারা, যার আজো হৃদয়ে সপ্ন নিয়ে বাঁচে?
সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮
হারানো জিনিশ
রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮
সুপ্রভাত ১
সকাল বেলা চেয়ে দেখি
ফুটেছে আলো
প্রকৃতি ডেকে বলে ওঠো
বিছানা ছারো
গতকালের আয়-ব্যায়ের
হিসাব যতো
তারাতারি ওই খাজনার
হিসাব কসো
রোজের মোতো আজো
গিয়ে সারো
চায়ে জল ওদিকে বুঝি
গরম হোলো
আজজে ভরা কাজের দিন
তোমার ওগো
বিছানা ছেরে তাই তুমিও
উঠেই পড়ো
সুপ্রভাত জানাই তোমায়
সু্ন্দরী গো
শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮
অভিনয়
অভিনয় করতে করতে আমি ক্লান্ত
সংলাপ হীন হাসিমুখ করে বিভ্রান্ত
প্রতিদিন ভালোথাকার সাজানো নাটক
প্রধান চরিত্রে দয়াহীন হিংস্র শাসক
রংহীন পুরানো একঘেয়ে মঞ্চসজ্জা
ঢেকে দেয় মিথ্যা কথনের লজ্জা
যন্ত্রনার হাত ধরে প্রতি মুহুর্তে সংশোধন
নতুন আদলে পুরানো চরিত্রের চিত্রণ
হারিয়ে যাওয়া চরিত্রের কান্না ও হাসি
একমুঠো স্মৃতি নিয়ে আমি বসে ভাবি
বহুকাল আগেদেখা প্রিয়ার সে আঁখি
বাঁকা ঠোটে বলেছিল তোকে ভালবাসি
ঠোঁটের কোনায় আজ ক্ষোভ আর অভিমান
হয়ত বা এ সবই শুধু আমার অনুমান
মিষ্টি প্রেমের কবিতা আজ হয়ছে প্রবাসী
তাই বিরহের কবিতাই ভালবাসি
আমার যা আছে তাই নিয়ে বেশ আছি
আমার দুখে কার কি আসে যায়
তাইতো এ মন একাই থাকতে চায়
নারীর আদলে কোল বালিশ জড়ায়
আমার সব প্রয়জন ফুরিয়েছে জানি
তবুও মরদ হবার আগুনে হাতছানি
যেন ঠিক ওই আগুন-পাখির কাহিনী।।
বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮
বিশ্বাস পেতে চেয়ে
বিশ্বাস পেতে চেয়ে
ভুল করেছি বার বার
অবিশ্বাসের পাওনাদার
পায় কি করে বিশ্বাস
বুঝতে পারি কষ্টটা আজ
ছিরছে করছে জেরবার
গলার কাছে কান্নাটা আজ
দলাপাকাচ্ছে বারবার
ভালবাশার অপর পারে
পরিস্থিতি জোরদার
পাওনাদরের কড়ানারা
উপার্জনে হাহাকার
পেটের খিদে নড়িয়ে দেয়
পায়ের মাটি বারবার
তবুও জেন কিসের টানে
ফেরৎ জাওয়া বারবার
রাগ অভিমান সবের মাঝে
(তোকে) ফেরৎ চাওয়া বারবার
খারাপ মানুষ
একযে ছিল খারাপ মানুষ,ভিষন খারাপ জন
খারাপ তাকে দেখতে যেমন খারাপ তার মন
খারাপ কথাই ভাবতো সেযে বোসে সারাক্ষণ
খারাপ থাকা খারাপ খাওয়া খারাপ তার বসন
লোকের খারাপ করার তার ছিল বিশেষ ধরন
মাঝে মধ্যে কখনও যদি কোরতো মন কেমন
আনমনে সে ভাবতো বোসে বুঁজে দুটি নয়ন
সাবাই ভয়ে ভিত তখন, কি যে হবে কখন
কার বাড়িতে লাগবে আগুন, কেবা পাবে শমন
জাগবে যখন মানুষ রুপী সয়ং দশানন
খারাপ মানুষ নিজের মনেই ভাবছে বসে তখন
বুঝবে কে আর মনের কথা, নেইযে আপনজন
একাই তাকে জ্বলতে হবে, জ্বলবে সে আমরণ
এমন সময় তার জীবনে ঘটল হঠাৎ অঘটন
মন আকাশে দিলো দ্যাখা এ কোন চাঁদ বদন
সবকিছু আজ এলোমেলো আর মন উচাটন
তাকিয়ে দ্যাখে পাগল পবন ছুটছে কেমন শনশন
খারাপ ওই মানুষটাও করল ফেলে প্রেম নিবেদন
পাগল পারা প্রেমের জ্বরে জ্বলল উঠে ভুবন
মনের অনল নিভল অমন মিষ্টি যে তার ভাষণ
নিভঝে আগুন ডাকছে ফাগুন মিটছে মনের জ্বলন
প্রেমের দহন ভিষন এমন, পাথরে ফোটায় চমন
খারাপ মানুষ সকল ভুলি নেয় প্রেমের দেবের স্মরণ
প্রেমের দেবী ভুলায়ে সবি করল তার সে হৃদয় হরন
নিত্য নতুন আবদারে ভরলো তার সে রুক্ষ জীবণ
তারই মাঝে মন আকাশে মেঘের আগমন
হঠাৎ করেই বাঁধ ভাঙে হয় শরীরী মিলন
অভিমানের মেঘ জমে হৃদয়ে অকারন
তবুও ও কেনো জানি ভুলে সব জ্বালাতন
হৃদয় তারই কথা ভাবে বোসে সারাক্ষণ
হাত ছেড়ে চলে যাওয়া সহজ নয় যে এখন
তবুও এই কথাটি অতি সহজ সাধারণ
তেলে আর জলে হয়নাকো কভু মিশ্রণ
খারাপ মানুষ দ্যাখো তাই কাজে দেয় মন
তুবুও হৃদয়ে এক আশা করছে লালন
আরও এক খুসির হাওয়া, তাকে দিচ্ছে দোলন
কারও সপ্ন সফল হওয়া, মুক্ত গগন।।
রবিবার, ১৭ জুন, ২০১৮
তোমার সপ্ন
কাল রাত্রে তোমায় দেখেছি সপ্নে বহুক্ষণ
তোমার বুকের গন্ধে মাতোয়ারা রাতভোর
পোশকের মধ্যে ঢেকে রাখা শরীর সর্বক্ষণ
লজ্জাহীন, মেখেছিলে কোন সুগন্ধি আতর?
সপ্নসঙ্গিনী বার বার বারিয়েছি হাত ভিক্ষার
কোমল স্পর্শ, শিক্ত বুকের লবনাক্ত স্বাদ
কাল সপ্নে তুমি করোনি চেষ্টা আত্মরক্ষার
তুমিও কি খুঁজেছিলে শরীরে স্পর্শের স্বাদ
পরতে পরতে খুলে রহস্যের বেড়াজাল
ঊষ্ণ শরীরের প্রতিটি রেখায় তীব্র আকাঙ্খা
দলিত মথিত করে ওষ্ঠ, বক্ষ, স্তনযুগল
স্তনবৃন্তে ঠোঁট, তোমার চোখে কিসের আশঙ্কা
শরীর সাগরে তখন অজস্র উত্তাল ঢেউ
শরীরের প্রতি খাঁজে বিন্দু বিন্দু স্বেদজল
আমার জিহ্বায় তখন মিষ্টি-লবণ স্বাদ
তোমার আঁখিপটে নেমেছে সুখের ঢল
গরিয়ে নেমে যাই নাভি বেয়ে আরও গভীরে
পান করি সমস্ত তরল একান্ত আদরে
তোমার সর্বাঙ্গে আমার ঠোটের চিহ্ন আঁকি
বিবস্ত্র তোমাকে, আমার মাঝে টানি,
দুজনায় সেই আদিম খেলায় মাতি
ভয় পেওনা একটুও ব্যাথা পাবেনা তুমি,
যা পাবে, তা এক কঠিন উষ্ণ অনুভূতি
ভোর হবার পরে জানি আর রবে না তুমি, তাই
তোমায় লতার মতো জড়িয়ে ধরে, ভরাই
আজ রাগে অনুরাগে, সর্বাঙ্গে চুমুর চিহ্ন একে
ভালবাসার শেষ বিন্দু দিলাম তোমার শরীরে ঢেলে
তারপর তোমার প্রতি ইঞ্চির সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে
লেপ্টে, তোমার বুকের গন্ধে হারাই আমি
বিশ্ব ভুবণ ভুলে।।
ইতিহাস
বড় অদ্ভুৎ লাগে দেখে মানবতার ইতিহাস,
প্রতিনিয়ত করে যেনো সত্যের উপহাস;
লেখকের মনে ধরা এক গল্পের বিবরণ,
করে চলে ওই অতিতের ঘটনার বর্ণন;
প্রতিটি পাতায় লেখা বিজয়ীর জয়গান,
পরাজিত সেতো জেনো নিশ্চয় শয়তান;
হয় যদি বর্ণন পরাজিতের পরাক্রম,
জেনো সেতো শুধু কিছু্বা ব্যাতিক্রম;
যদি ওই ত্রেতাযুগে পরাজিত হত রাম,
তবে কি তাকে মোরা ভগবান মানতাম?
কারও চোখে বিপ্লব, কারও চোখে সন্ত্রাস
জয় পরাজয় গড়ে তোলে বিশ্বাস ;
বিজয়ীর পতাকায় ওরে দ্যাখো উচ্ছাস,
পরাজিত তার বুকে শুধুই দীর্ঘশ্বাস;
বিকৃতি সত্যের ভিত যদি নেড়ে দেয়,
ক্ষমতার লোভ তবে ধর্মের নাম পায়;
বিভাজন বীজ বোনে, সম্প্রীতি লোপ পায়
দেশ ভেঙে, দেশ গড়ে শাসকের ইচ্ছায়
আনমনে বসে দেখি নিয়তির পরিহাস,
'সামাজিক মাধ্যম' লেখে আজ ইতিহাস!
শোনা কথা একঝাঁক লেখে কত অনায়াস
সত্যতা বিচারের নেই কোনো অবকাশ
ছিনিমিনি খেলে নিয়ে মানুষের বিশ্বাস;
আগামীর তরে তাই খুঁজে ফিরি আশ্বাস;
রুপকথার চোখে বা কল্পনার পাখনায়,
দল-গোষ্ঠী-পক্ষের সেঁটে দেয়া চশমায়
আজ থেকে আর ইতিহাস লেখা নয়,
হোক তা সে যতই নগ্ন নির্মোহ নির্দয়।।
শুক্রবার, ১৫ জুন, ২০১৮
নবজাগরণ
প্রগতিশীল এ মানব জীবন,
প্রতিনিয়ত পরিবর্তন;
সিমাহীন সম্ভাবনার উন্মোচন
দ্যাখে নেশাতুর নয়ন
মানব নয়নে নামে সম্মোহন
মায়ার বাঁধনে বাঁধেমন
ভুলে বিধিসন্মত সতর্কীকরণ
করে বিপদের আবাহন
হোয়ে অমানবিক অকারন
করে বর্বর আক্রমন
আমি বসে ভাবি আনমন
একি নয় আত্মহনন
শুনি সেই ভয়ংকর বিবরণ
সেও নাকি পন্য এখন
চারিদিকে ক্ষমতার আস্ফালন
আর দেখি মিথ্যা-ভাষণ
বিশ্বসংসার করেছে আচ্ছাদন
তবু ক্রোধ করি দমন
যত আছি মোরা জনসাধারন
খুঁজি পথ, করি মনন
মানব প্রাচীর গড়ি অনুক্ষণ
শোষকের লিখি শমন
ছিঁড়ে ফেলে সকল বাঁধন পুরাতন
করি সকল যুদ্ধ সমাপন
হোক আজি বিজয় শঙ্খ বাদন
পৃথিবীর বুকে দ্যাখো নবজাগরণ।।
বুধবার, ১৩ জুন, ২০১৮
ভালবাসা
অচেনা দুটি মন এক হতে চায়
কিছু জানা মিথ্যার আশ্রয়
একসাথে তারা পথ চলতে চায়
এক সাথে সময় কাটায়
ভালোমন্দ লজ্জা ঘৃনা ভয়
সব কিছু নিমেষে ভুলায়
হাতে হাত, কাঁধে মাথা, সময় থমকে যায়
কখন যে কথা থেমে যায়
ভালবাসা হৃদয়ের গন্ডি পার হয়
শরীরের খাঁজে নেয় আশ্রয়
প্রেম ভারে আনত দুটি হৃদয়
মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়
মিথ্যার বীজ মাথাচারা দেয়
ভুলবোঝা বুঝি হাতছানি দেয়
কাঁটা হয়ে মনে যে বিঁধায়
ভুলবোঝা বুঝি ফিকে হয়েযায়
আর ভালবাসা আরও গাঢ় হয়
দুটি মন ফের এক হয়ে যায়
একেই তো ভালোবাসা কয়।।
দূষন
রৌদ্রের কি প্রখর প্রচন্ড তাপ
কবে দেখা দেবে ওই নিম্নচাপ
আকাশে, ঝরবে বৃষ্টি টুপটাপ
জেনো,
প্রয়জনের নেই কোনো সীমা, পরিমাপ
লোভ আর লাভ বুঝি,হোক তাতে পাপ
আজকের ভালো থাকা আগামীর শাপ
এসো,
প্রতিরোধ গড়ে তুলি রাখি হাতে হাত
পৃথিবীর বুকে কিছু রেখে যাই ছাপ
কিছু যদি কম হয় ওই রৌদ্রের তাত
আজ,
সবে মিলে একসাথে ভুলে অনুতাপ
পলিথিন ব্যাবহারে এসো টানি রাশ
দূষণ রোধ করার পথে আরো একধাপ
ওই,
উন্নতির পথে চলে, যে অভিশাপ
কুড়িয়েছি মোরা, হারিয়েছি আজ
সবুজ বনানী, নীল আসমান
আগামী প্রজন্মকে দিলে এই উপহার
প্রশ্নকি করবেনা ওরা ফিরে একবার?
তাই দূষন নিয়ন্ত্রনকে কোরে হাতিয়ার
চল গড়ি তবে এক নুতন জগৎ সংসার।।
রবিবার, ১০ জুন, ২০১৮
শুভরাত্রি ২
মৃদুমন্দ বইছে বাতাস
আকাশ অন্ধকার কালো
কারও মন আকুল হতাশ
কারও বা খুব ভালো
কোথাও কেউ নিদ্রামগ্ন
কেউবা এখন প্রেমেমগ্ন
কেউবা দেখছে সুখ'সপ্ন
কোথাও তেমনি দূঃসপ্ন
করা পাহাড়ায়।
আমিও তেমনি ছিলাম তোমার
শুভরাত্রির অপেক্ষায়।।
মেঘবালিকা
মেঘবালিকা ও মেঘবালিকা
কেমন তুমি আছো?
কালকে তোমায় দেখেছিলাম
আনমনা অগছালো
আগের মত সেই মেঘের মাঠে
এখনও তুমি আসো?
আসবে বলে সেই সে কবে
আর তো এলে নাকো
বলে ছিলে অন্য রকম গল্প লিখতে
লেখা হয়নি সেতো
এক পৃথিবী নাই বা হোক দুএক পাতা
লিখেছিলাম জানো
হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি এসে আমায়
ভিজিয়ে দিয়ে গেলো
যা ছিল দুএক মুঠো ধুলোবালির মতো
সবই ভাসিয়ে নিয়ে গেলো
এক পৃথিবীর একশ রকম সপ্ন নিয়ে
ঠিক লিখব আমি জেনো
মেঘবালিকা বৃষ্টি হয়ে আবার তুমি
ভাসিয়ে নিয়ে যেও।
শনিবার, ৯ জুন, ২০১৮
পঠন শেষে
শেষ দিনের পঠন শেষে
দুটি চোখে জল ভোরে
একে অপরকে জরিয়ে ধ'রে
স্মৃতির সাগরে গেলাম ভেসে
টুকরো স্মৃতি মনের মাঝে
মুক্তো সম ঝরে পরে
ভালোলাগা খারাপ লাগা
কান্না হয়ে প'রে ঝোরে
কয়টি মাসের সল্পচেনা
তবুও কত আপনজনা
সবাই আজ আনমনা
সপ্ন নতুন সম্ভাবনা
কাল থেকে আর এমন করে
একে অপরের হাতটি ধরে
মনের কথা উজার করে
বলব না আর অমন করে
নতুন মানুষ সঙ্গি ক'রে
আগামি দিনে চলার পথে
কখনও স্মৃতির হাত ধরে
খুঁজলে জানি পাবই সাথে।।
কামনা
শোননা তোকে চুপটি কোরে
বলছি মনের কথা
পেয়েছি আজ মন আকাশে
ইচ্ছে পাখির দেখা
ওরা শুধোয় আমার কানে
কোরছো তুমি একি
ইচ্ছে গুলো সরিয়ে দূরে
দিচ্ছ কাকে ফাঁকি?
আরও শুধোয় মিষ্টি ভাসায়
নতুন কোরে দেখো
ইচ্ছে গুলো সরিয়ে দূরে
কষ্টে কেনো থাকো?
ইচ্ছে আমার ইচ্ছে তোমার
ইচ্ছে সারি সারি
আরও অনেক ইচ্ছে নিয়ে
নতুন আকাশ পাড়ি
ভালো থেকো সুখে থেকো
বন্ধু যেগো আমার
তোমার ইচ্ছে পুরণ হোক
এই কামনা আমার।।
হাহাকার
তিরিশটা বসন্ত করেছি আমি পার,
হৃদয়ে তবু আজো শরীরী হাহাকার;
শিমুল পলাশের রঙে রেঙেছি বহুবার,
তবু আজো মনে রঙ লাগেনি আমার;
আকাশের ঠিকানায় পাঠিয়েছি বহু তার,
জানিয়েছি তারে, একাকী জীবনের ভার;
প্রতিরাতে শরীরের গোপনে নামে আষাঢ়;
ভেঙে দিতে চায় দেহের প্রতিটি রূদ্ধদ্বার;
সে যে এক অমোঘ আকর্ষণ দুর্নিবার;
শুনতে কি পাও সেই নিঃশব্দ হাহাকার?
তবুও হাসি মুখে দেখো কেমন চমৎকার,
প্রতিটি দিন প্রতিটি রাত করি পার;
আর নিজেই নিজেকে বোঝাই বারবার,
এমনওতো কিছু হয়নি আশা হারাবার;
জেনো এ আগমনী বার্তা ওই বর্ষার,
শুরু হয় শেষে এই রৌদ্র প্রখরতার;
বাঁধতে চাই মিষ্টি সুরে জীবনের তার,
একদিন বাঁধব জেনো সুখের সংসার।।
মঙ্গলবার, ৫ জুন, ২০১৮
ইচ্ছে ডানা
অনেক রকম ইচ্ছা জানিস
মেলছে মনে ডানা
হঠাৎ করেই আকাশে মোর
দিচ্ছে ওরা হানা
আচ্ছা তুই কি চিনিস ওদের?
জানিস ওদের ঘর?
নাকি মিছে কথাই কইল ওরা,
করতে আমায় পর!
এমন তো নয় সবাই মিলে
তোর আকাশে জুটি
আপন মনে মনের সুখে
করছে লুটোপুটি
শোননা তবে চুপটি করে
আমার অনুরোধে
ওদের ঘরের হদিশটুকু
দিসনা আমায় ব'লে
আবার যদি পাইরে দেখা
রাখব ধরে বুকে
তোর আমার ইচ্ছে গুলো
একসাথে এককোরে
ইচ্ছে গুলোও ভীষন রকম
ডানপিটে আর পাজি
হঠাৎ কখন দিচ্ছে উঁকি
হঠাৎ কখন ফাঁকি
তাইতো বলি জানলে বলিস
কোথায় ওদের ঘর
আদর করে রাখব ওদের
ছারব নাকো আর।।
রবিবার, ৩ জুন, ২০১৮
প্লাস্টিক দূষণ
পলিথিন প্যাকেট মোড়া এই সংসার
আগামীর তরে জেনো অতিব ক্ষতিকর
অপচ্য সে এক অতি ভয়ানক হাতিয়ার
প্রতিরোধ গড়ে তোলা তাই একান্ত দরকার
চল আজ সবে মিলি ক'রি অঙ্গিকার
'একক ব্যাবহার প্লাস্টিক' করবনা ব্যাবহার
দরকার তাই আজ সচেতনতা বারাবার
রুখতেই হবে প্লাস্টিকের অপব্যাবহার
আজ মোরা এই ক্ষনে করি অঙ্গিকার
প্লাস্টিকের পুর্নব্যাবহারে হব বদ্ধপরিকর
আর যদি তেমনটা নাই হয় সম্ভপর
করবনা মোরা সেই প্লাস্টিকের ব্যাবহার।।
শুক্রবার, ১ জুন, ২০১৮
পৃথিবী
চল চলে যাই এই পৃথিবীর বুক ছেড়ে
পৃথিবী আজও শিশুর বাসযোগ্য নয়
তবু ও শিশুর হাসি পিছুটান দেয়
বেঁধে ফেলে মায়ায় ছোট দুটি হাত নেড়ে।
চল ভেঙে গুঁড়িয়ে দি সিমান্তের প্রাচীর
নষ্ট করি খেলার ছলে সমস্ত অস্ত্রশিবির
সামরিক বাহিনীর ক'রি অবসান
নতুন আবাসন গড়ি দিয়ে মন প্রাণ।
চল ভেঙে দিয়ে ওই প্রাসাদ ও কুঁড়ে ঘর
উন্মুক্ত আকাশের নিচে বাঁধি বিশ্বসংসার
রঙ রুপ মানুষের আচার বিচার মিলেমিশে
হোক একাকার, কাটুক মনের অন্ধকার।
চল ভাঙি ওই অর্থহীন ধর্মের বেড়াজাল
সকলে মোরা মানব ধর্মের করিব প্রচার,
চল এক হই সবে, ভুলি স্থান পাত্র কাল
মিলাব মিলিব ভাঙিব হৃদয়ের প্রাকার।
জীবন
শুরু হোক আজ এক নতুন জীবন,
ভুলে গিয়ে যতসব গ্লানি পুরাতন;
প্রার্থনা করি যেন পাগল পবন,
উরায়ে নিয়ে যায় গভীর গহন
যাছিল মনে ওই ক্ষত পুরাতন;
পথে যদি আসে কভু বাধা, অঘটন
জেনে রেখো পরীক্ষা নেন গজানন;
সাহসে বেঁধে মন চলো অনুক্ষন,
এগিয়ে চলার অপর নামইযে জীবন।।
আত্মদর্শন
জানি আর মোর নেই কোন প্রয়োজন,
শুধু অভ্যাস বসে কথা বলা অকারন;
ভেঙে জীবনের যত সব ব্যাকারন,
এত কাছাকাছি আসা শুধুই কি অঘটন?
বুঝনি আজো কে কাকে করেছি সমর্পণ
খুলি শরীরের প্রতি পরত ও আবরণ
করেছি কতবার কতনা সহজে বিবরণ
কখনও চেয়ছি পেতে খনিকের দরশন
আনমনে করেছি অশোভন আচরণ
আজ হায় যদি হয় দোশারোপ বর্ষন!
তবুও জেনো ভালোচেয়ে যাব আমরণ।
শরীরের মধ্যে খুঁজি শরীরী আবাসন
হৃদয়ের আয়নায় যদি করি আত্মদর্শন
দেখি ভয়ানক রুপধারী অসুর দশানন।
ভয়ে খুলে ফেলে সমস্ত আশার আভরন
করি দুঃখ আর নিরাশার বীজ বিতরণ
তাই আর মোর নেই কোন প্রয়োজন,
শুধু অভ্যাস বসে কথা বলা অকারন।।
অন্তরাল
সম্পর্কে চৈত্রের রুক্ষতা ঝরে পড়া স্মৃতি, উড়ায় কালবৈশাখী। আচমকা মনে জমে মেঘ বৃষ্টি নামে তেড়ে, ভেজায় দুই আঁখি। শীতলতার আমেজ দিয়ে উষ্ণতা ফে...
-
কবিতারা আজ দেখি হারিয়েছে ছন্দ ঠিক যেন জীবনের দেখি প্রতিবিম্ব দেখেশুনে জাগে মনে বহুবিধ দন্দ কবিতার গায়ে কেন গদ্যের গন্ধ কবিতা তো শিল্প সে ...
-
মনটা আমার ভিষণ ভালো, খোলা হাওয়ায় উড়ছি। রোজইতো তাই নতুন নতুন, বাঁচার কারণ পাচ্ছি। আবার আমি নতুন করে, নিজেকে সাজাবো। সাতরঙা এই জীবন টাকে, র...
-
বসন্ত উৎসব শেষে, শীতের আবেশ গেছে কেটে। চৈত্রের দাবদাহ জানান দিচ্ছে, আসছে বৈশাখ আসছে। পুরাতন বছর জানে, তার আসন্ন অবসান। শেষ হবার আগে, শেষ...