শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০২৩

দুহিতার আগমন

ছোট্ট সোনা আসবে বলে,
ছিলাম প্রতিক্ষায় ;
আজ সে এসে দেখা দিলো,
আপন মহিমায়। 
চৈত্র মাসের দ্বিতীয় দিনে,
কৃষ্ণ দশমিতে;
 নন্দিনী মোর জন্ম নিলো,
ভোরের কড়া নেড়ে। 
অনেক অনেক আশীর্বাদে,
শতেক  শুভেচ্ছায়;
সবাই তাকে করলো বরণ,
সোহাগী ভালবাসায়।

বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩

বর্ষশেষে

বসন্ত উৎসব  শেষে,
শীতের আবেশ গেছে কেটে।
চৈত্রের দাবদাহ জানান দিচ্ছে,
আসছে  বৈশাখ আসছে। 
পুরাতন বছর জানে, তার আসন্ন অবসান। 
শেষ হবার আগে, শেষ বারের মত
তাই জ্বলে ওঠার চেষ্টা আপ্রাণ। 
হঠাৎই ঝোড়ো হাওয়ায়  বেগে,
যেন উড়িয়ে যাবে ;
ঝরা পাতা আর, ধুলো কনার সাথে;
সকল স্মৃতি, না পাওয়ার চিঠি পুরাতন। 
বছরটা এখনও জীবন্ত, বর্তমান;
ভুত হবার অপেক্ষায় অপেক্ষমাণ। 

জানে চলে যেতে হবে,
ছেড়ে দিতে হবে স্থান। 
অক্লেশে তাই যেন সাজে,
মেখে মুকুলের আঘ্রাণ।
দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে, 
যেন নতুনের নবীন বরণ।

মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩

উপহার

দুহাত ভরে উপহার দিতে সাধ হয়
কি যে দেবো ভেবে পাইনা 
মন কত কি যে দিতে চায় হায় 
দিতে চেয়ে দেওয়া হয়না
যা ছিল আমার হারিয়েছে জেনো
বাকি  আছে কত, ধন যে লুকানো
থাক আজ, থাক না হয় সে কথা
স্মৃতি টুকু আছে, আছে ভালবাসা 
চোখে দেখা তা তো আর যায়না 
ভাবি বসে একা কি দেবো তোমাকে
যাতে খুশি হবে তুমি, হব খুশি আমি
মিটে যাবে মোর ভাবনা।
তবে উৎকোচ দিয়ে মন কেনা বেচা
জেনো নয়  তো এ মোর বাসনা। 
তবু মন মানে নাকো, চায় দিতে সে তো
ডালি ভরে নজরানা। 
তাই আজি দুই এক কলি মনের মাধুরি
দিলাম তোমায় গাঁথিয়া।

আমি হব

জানা নেই মরব কবে, প্রাণ ভরে বাঁচব তবে
আকাশের বিশালতায়,নিজেকে মেলব ধরে।
নদীর ওই চপল চলার,সঙ্গে তাল মিলিয়ে 
ভাঙব সকল বাঁধা, ছুটব আপন বেগে।
পাহাড়ের মতন হব, সঙ্কটে অটল রব।
সূর্য হয়ে আমি আলো আর তাপ বিলাবো।
করুণার ধারা হয়ে,বৃষ্টি সম পড়বো ঝোড়ে। 
আগুন হয়ে উঠব জ্বলে প্রতিবাদে প্রতিরোধে। 
বাতাস হয়ে রইব আমি সকলের ওই পাঁজরে, 
প্রয়োজনে রুদ্র হব, লহমায় সব উড়াবো।
আমি তো আমি-ই হব, স্বাধীন এক সত্তা সম
আত্মার আত্মীয়তায়, সকলের সমান হব।

অন্তরাল

সম্পর্কে চৈত্রের রুক্ষতা  ঝরে পড়া স্মৃতি, উড়ায় কালবৈশাখী।  আচমকা মনে জমে মেঘ বৃষ্টি নামে তেড়ে,  ভেজায় দুই আঁখি।  শীতলতার আমেজ দিয়ে উষ্ণতা ফে...