বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

সময়

ঘরিতে ঘুরছে সময়
সময় ঘরিতে দুলছে
তোমায় ফেলে সময়
একাই দেখো ছুটছে
হঠাৎ কথায় কথায়
অসময় হাত ধরছে

শীতের ঝড়া পাতায়
প্রণয়ের দিন গুনছে
নিজেই নিজের বলয়
ছাড়িয়ে ছুটে চলছে
তোমার আমার হৃদয়ে
সপ্নরা পাখা মেলছে

না পেয়ে কোনও উপায়
আজো পথ খোঁজা চলছে
বিনা কারণে নানা আছিলায়
দেখো মানব নিধন চলছে
এই সমাজের যত ক্ষয়
বিপ্লব ডেকে আনছে

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

এ কি হাল

উন্নয়ণ আর উদযাপনের,
চলছে জোড় তোরজোড়;
কালকে যারা ঘাম ঝড়াতো,
আজ হয়েছে জোচ্চোর।
আয়ের হিসেব আর মেলেনা
দেখছি সবাই ভুঁইফোর।
পরকীয়ার মতোই নাকি
বৈধ হয়েছে ঘুসখোর।
যুবারা তাই মদ্যপ আজ
সাধূরা হয়েছে চোর।
বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চুপ হায়
নির্বোধেরা ঢাক বাজাচ্ছে জোড়।
মায়ের পূজা পারায় পারায়
তারই লুটোচ্ছে কাপড়।
আলোর নিচেই অন্ধকার
দেখো জমেছে ঘোর।
ধর্ম তাইতো ধারন করে না
করে অসহায় বোধ।
নিরাশায় মোড়া রাতের ওপারে
রয়েছে আশার ভোর।

বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

আমি একলা ছিলাম বেশ

আমি একলা ছিলাম বেশ,
কেনযে তোর হল অভ্যেস?
অনেক জমা ক্ষোভ, বিদ্বেষ,
তোর কাছেই হারে শেষমেশ।
জমানো যত ইচ্ছেগুলো শেষ,
তোর কাছেই করি আমি পেশ।
চতুর্দিকে কতশত জন সমাবেশ,
তারই মধ্যে মোরা দুজন হচ্ছি নিঃশেষ।
চারিদিকে তাকিয়ে দেখি ভালবাসার অবশেষ,
তোর আমার গল্পের কি এইখানেতেই শেষ?

সোমবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

আগের মতই

সবকিছু ফের আগের মতই,
সবভুলে ঘর ফেরা।
আপনি বলার চেষ্টা করেও,
ভুলকরে তুই বলা।
তেমনি করেই আগের মতই,
আবার রাগকরা।
ভাললাগা গুলো একমুঠো ক'রে,
স্মৃতির কড়া নাড়া।
অকারণে আর কারণ ছাড়াই,
মনখুলে কথা বলা।
আগের মতই ছবি গুলো তোর,
তেমনই মন কারা।
ইচ্ছে তো হয় একসাথে হই, শুধু
শরীর টুকু ছাড়া।
তুই আমি আজও একসাথে হলে
সবকিছু যায় ভোলা।

রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৮

আমিত্ব

আমি আমার আমিত্বে মসগুল
তবু সবার মাঝে নিজেকে খুঁজি
আর অকারণে করি শোরগোল
অনেকের মাঝে, একা পথচলি
আঁকরে ধরিতে চাই শেষ সম্বল
আপনারে আমি আপন করিয়া
প্রেম ভালবাসারে করি হতবল
ভালবাসি যাকে কি বলিব তাকে
আমার আমিত্ব করে সব ভন্ডুল
নিজের কাছেই আজ সব হারায়ে
খুইয়েছি আজ জাত মান কূল
শিকড় যেখানে উৎখাত আজি
হাড়িয়ে ফেলেছি আপনার মূল
সব হারানোর মাঝেও খুঁজেছি
তোমাকেই মানি শেষ সম্বল
সব ভুলে গিয়ে নতুনেরে নিয়ে
আমি আমার আমিত্বে মসগুল

রবিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৮

অপেক্ষা

প্রতিমুহূর্ত পল অনুপল,এইজীবন কাটে প্রতিক্ষায়;
মানব জীবন হায় কাটে শুধু অনিশ্চিত অপেক্ষায়।
কখনও খোঁজে পথ, কভু ভালোবাসা খোঁজে হায়;
কেউবা দিনের শেষ, কেউ নতুন দিনের অপেক্ষায়;
কেউবা জীবন নিতে চেয়ে, কেউ জীবন দিতে চায়।
লক্ষপুরোন করতে চেয়ে, কিম্বা হারের অপেক্ষায়
পৃথীবিতে আসার আগে,চলে যাওয়ার পরেও হায়;
পল অনুপল মানব জীবন কাটে নানান প্রতিক্ষায়।

অপেক্ষাতে মেওয়াও ফলে, কারো সময় চলে যায়;
কারও জীবন সোনায় ভরে, কেউবা সব হারায়।
কারও অনেক দূরে যাওয়া, শুধু ফেরার প্রতিক্ষায়;
কেউবা অনেক কাছে এসেও, দূরেই রয়ে যায়।
কারও জীবন কাটেই শুধু ভরা পেটের অপেক্ষায়;
কেউবা শুধুই উপোস করে, ঠাকুর পাবে তায়।
তুমিযে আমার, আমিও তোমার রয়েছি প্রতিক্ষায়;
অপেক্ষাতে অপেক্ষাতে, শুধু সময় চলে যায়।।

সুপ্রভাত ৬

রাতের পরে আসলো যে ভোর
নতুন আশা নিয়ে
হীমেল হাওয়ার পরশ মেখে
প্রভাতী গান গেয়ে
পাখিরা সব উঠল জেগে
রোদের পরশ পেয়ে
মিষ্টি রোদের ঝিকিমিকি
ফুলের গন্ধ নিয়ে
সুপ্রভাত জানাই তোমায়
বন্ধু হতে চেয়ে।।

চেনা অচেনা

একলা আমি, একলা তুমি চেনা অচেনা
তোমায় নিয়ে সপ্ন বোনা, অলীক কল্পনা;
হাতেতে হাত, কিছুটা পথ সঙ্গে চলোনা
ইচ্ছে পাখি মেলুক নাহয় রঙীন পাখনা;
খুলে দিলাম হৃদয় খাঁচার সকল জানলা
একলা আমি, একলা তুমি একই  যাতনা।।

একলা আমি, একলা তুমি চেনা অচেনা
তোমায় নিয়ে আগুন খেলার শতেক ভাবনা;
তোমায় কাছে পাওয়ার একি ভীষন তাড়না;
তোমার মাঝেই হারিয়ে গেছে আমার চেতনা।
হৃদয় জুড়ে শুধুই তুমি, মোর স্বপ্ন ললনা
একলা আমি, একলা তুমি একই  যাতনা।।

একলা আমি একলা তুমি চেনা অচেনা
পরিচয়ের প্রথম রাতের কাতর কামনা;
স্মৃতিপটে ঝাপসা কি আজ সকল ঘটনা?
সবই কি হায় অভিনয়,সব মিথ্যা রটনা?
তাড়িয়ে বেড়ায় তোমায়, আমায় একই বেদনা
একলা আমি একলা তুমি একই  যাতনা।।

শুক্রবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৮

সংশয়

রাখতে চেয়ে বেঁধে তোমায়
কত হাড়িয়েছি সময়।
তবুও জেনো আজো মনের
মোর কাটেনি সংশয়।
তুমি কি হায় আমার ছিলে
হারানু দোটানায়?
প্রশ্ন মোর রয়েই গেলো
উত্তরের আশায়।
যদিও জানি দেখেছিলে
সপ্ন নিয়ে আমায়।
তবুও তুমি অন্য কারোর
কেনোযে মনে হয়।
বুঝতে চেয়ে তোমায় তবুও
কেন চেষ্টা করি হায়?
যেনো তোমার মতই আমিও
হায় সমান অসহায়।
ভুলতে চেয়েও অবুঝ এ মন
শুধু তোমায় খোঁজে হায়।।

সুপ্রভাত ৫

তারাদের দিয়ে ছুটি, আঁধার রাতের শেষে;
সুজ্জিমামা বসলো এসে পুবের আকাশ জুড়ে।
একটু রেগে গোমরা মুখে, মুখটি লাল কোরে;
সুজ্জিমামা খেলছে দেখো সমুদ্দুরের সাথে।
বলছে ওঠো, দরজা খোলো নতুন দিনের ডাকে,
পুরানো সব ময়লা ধূলি সরায়ে মন থেকে;
নতুন দিনের হোকনা শুরু তোমারি হাত ধরে।

সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

সন্ধান

খুঁজছি তোমায় আকাশ পাতাল,
মন্দিরে ও মসজিদে।
এই পৃথিবীর কোনায় কোনায়,
খুঁজছি নানান ফন্দিতে।
কোথায় তুমি লুকিয়ে আছো?
(হায়) করলো তোমায় বন্দিকে?

তোমার নাকি শক্তি অসীম
তবুও তোমার এমন দশা!
তোমারি তো সব তবুও নাকি
চাইছ তুমি সোনাদানা?
তোমারি সৃষ্টি এ সকল প্রাণী 
তবে কেমনে তুমি উৎকোচে চাও তারই রক্তধারা?

একটা কথা সত্যি করে বলো দেখি তুমি,
হরেক রকম প্রার্থনা সব শুনে ঝুড়ি ঝুড়ি;
বিরক্তিততে বলতে তোমার মন চায়না বুঝি।
আকাশ,বাতাস,সাগর,পাহাড়,নদী,সবুজ গাছপালা
দিয়েছি তোদের সপ্ন, ইচ্ছে সঙ্গে স্বাধীন কল্পনা
আর কি চাই,কি চাস তোরা আমার কাছে হতভাগা?

ইচ্ছে ছিল নুইয়ে মাথা বসব তোমার সামনেতে,
নিজের করে নিজের ভাষায় শোনাব তোমায় গানযে
দেখি রয়েছো তুমি ব্যস্ত ভীষন নানান নিয়ম যুদ্ধে।
সময় মাফিক ডাকলে পরে তবেই নাকি শুনবে,
মনের কথা মনেই রেখে বইয়ের লেখা শব্দে।
এমন তর প্রচার শুনে পরেছি ভীষন রকম ধন্দে,
কেম'নে তুমি মুক্তি দেবে নিজেই তুমি বন্দি যে?

সন্ধানে তাই খুঁজছি ফিরে সীমাহীন সেই ঈশ্বরে,
সাধনা যাঁর উপাসনা আর গানের কলির মন্তরে;
সবাই যে তাঁর পূজারী হায় সৎ থাকলে অন্তরে।
থাকেন যিনি সবার মাঝে, মন্দিরে না মসজিদে;
অর্থ কিম্বা রাজার থেকে অনেক বেশি শক্তিতে।
শ্রান্ত মনের আশ্রয় সেই চায় না আমায় শোধরাতে,
কোথায় তিনি কে জানে হায় বন্দী নাকি নির্বাসনে

রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮

শুভরাত্রি ৪

তারারা যখন হাসতে থাকে,
অন্ধকারে আঁধার রাতে;
ফুলের সুবাস বাতাসে ভাসে,
মনযে তখন তোমায় খোঁজে।
কত কথাই বলতে যে চায়,
সোহাগে মন ভরাতে চায়;
দূর থেকে তা হবার তো নয়,
তাই শুভরাত্রি জানাই তোমায়।

শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮

সুপ্রভাত ৪

আঁধার রাতের প্রহর শেষে
সূজ্জিমামা উঠল হেসে
হীমেল হাওয়ার পরশ মেখে
পাখিরা সব উঠল জেগে
মিষ্টি রোদের উষ্ণ ছোয়ায়
জরিয়ে তোমায় ভালবাসায়
সুপ্রভাত বলছি তোমায়।

মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৮

হোক বা নহোক ছাপা

কত লোকেই লিখে থাকে,লিখতে থাকে যাতা!
তাইতো আমি লিখতে বসি, কে দেবে আজ বাধা?
হোকনা বাজে, হোকনা খারাপ, একটু আঁকাবাঁকা;
তবুও আমি লিখব আজি, লিখব সরল সাধা।
রঙীন কথায় সকল ভুলায়, মিথ্যে দিয়ে ঠাসা;
এমন লেখা অনেক পাবে, মন ভোলানো গাথা।
লিখব আমি অন্য রকম, লিখব যে প্রান খোলা;
সঙ্গী করে ওই সত্যিটাকে, গাঁথব কথার মালা।
লিখব আমি আমার মতন, নাইবা হল খাসা;
তবুও সেতো বলবে কিছু, আপন মনের কথা।
নাইবা জ্বলুক প্রদীপ শিখা, নাইবা জাগাক আশা;
আমার লেখায় লিখব আমি, আমার মরা বাঁচা।
লিখব সকল জীবন কথা, আপন চোখে দেখা;
জীবন খেলার নিয়ম ভাঙা,  হঠাৎ ওঠা পরা।
লিখব আমি আপন তালে, হোক বা নহোক ছাপা

বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৮

পথ খুঁজে মরে

দূর থেকে দূরে সরে যেতে যেতে,
আজো খুঁজে ফিরি তোমাতে নিজেকে।
রাতকানা আকাশ ওই মিটি মিটি চোখে,
আনমনে অস্ফুটে কত কিযে বলে।
মাঝরাতে আকাশেতে চাঁদ যদি ওঠে,
দুইচোখ আজো জেনো তোমাকেই খোঁজে।
ভুলেযেতে চাই তবু কেনো মাঝরাতে,
ভালোলাগে শুধূ তোর স্মৃতি হাতরাতে।
ভুলে যেতে চাই, চাই যেতে দূরে;
তবু কেনো জানি, চাই ফিরে ফিরে।
কাছে পেলে দূরে যাই সব কিছু ফেলে,
দূরে গেলে চাই তোকে খুব কাছে পেতে।
জীবনের দুই ধারা দুই পথে চলে,
মিলবেনা জানে তবু পথ খুঁজে মরে

মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৮

দিনআনি দিনখাই

আমরা যারা দিনআনি আর দিনখাই
আরও একটা দিন খেলাম।
ঝরা পাতার মত ঝরে যাওয়া সময়ের
হাতে নিজেকে সঁপে দিলাম।
আমদের খবর আর কেইবা রাখে বলো
কি পেলাম কিইবা হারালাম।
তবু সাঁঝের আলো, পাখির ঘরে ফেরায়
আগামীর সুখ সপ্নে ভাসলাম।
আমরা যারা দিনআনি আর দিনখাই
আরও একটা দিন খেলাম।

শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮

শুভ বিজয়া

ঢাকের বোলে বাজছে দেখো বিশাদেরই সুর,
মা চললেন ঘরে ফিরে দলন করিয়া অসুর।
চারিদিকে দেখো কেমন চলছে সিঁদূর খেলা,
সবার আঁখি আর্দ্র দেখি আজি বিদায় বেলা।
"আসছে বছর আবার হবে" এই টুকু যা আশা,
সেই আশাতেই একটি বছর প্রতিক্ষাতে থাকা।
এবার তোমায় বিদায় জানাই মিষ্টি মুখে মাগো;
জানি বছর পরে নতুন সাজে ঠিক তোমাকে পাবো।
মোদের এবার ফেরার পালা বিসর্জনের শেষে;
গুরুজনদের জানিয়ে প্রণাম, ছোটদের ভালবেশে,
মিষ্টিমুখ করব সবাই বিজয়ার শুভেচ্ছাতে ভেসে।
বছর ভরের প্রতিক্ষা ফের মাগো তোমার পথ চেয়ে,
আসবে তুমি সামনে বছর নতুন আশা নিয়ে।।

বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮

বাংলাকে ভালবেশে

আমি বাংলায় কথা বলি
করি বাংলায় লেখা লেখি
আমি বাংলার পথে পথে খুঁজি বাংলার সুখ স্মৃতি
আমি বাংলায় ছবি আঁকি
কাটি বাংলায় আঁকিবুকি
আমি দূরে গিয়ে বার বার এই বাংলায় ফিরে আসি

আমি বাংলায় পড়ি রবীন্দ্রনাথ,
বাংলায় কাজী নজরুল,
এই বাংলায় বিদ্রোহ করি দিয়ে সবটুকু সম্বল
আমি বাংলায় চেয়ে বিদায় মা গো
তব সিক্ত করেছি অঞ্চল
তবু বাংলা আমার ভরশা মাগো বাংলা মনের বল।

আমি বাংলাকে ভালবেশে
মুক্ত করেছি দেশ,
আমি বাংলা গানে আজো দিয়ে যাই মুক্তির সন্দেশ
আমি বাংলায় রাঁধি খাই
বাংলার গুন গাই
আমি বাংলার বাতাসেই তাই মুক্তির স্বাদ খুঁজে পাই।

বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৮

এবার তুই হাসত

ছাতিম ফুলের গন্ধ
ঢাকের তালের ছন্দ🎶💃
নতুন কাপড় জামায়👘👗
নতুন প্রেমের গল্প💋
পূজোর ছুটি অল্প
কতনা আড্ডা গল্প
রাত জেগে একসাথে
ঠাকুর দেখার শর্ত
সবাই মিলে খাবার পাতে,
হতেই হবে ব্যাস্ত🍴🍲🍜
এত খুশির দিনেও
তোমার মনে কষ্ট?😞😞
নাহয় তুমি শাস্তি দিয়ো
আমায় আপন হস্ত✋👊👋
এবার ভুলে কষ্টযত
একবার তুই হাসত
😊😊😊😊😊😊😊

রবিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৮

সপ্তপর্ণী

শরতের এই শেষবেলায় বাতাসে হেমন্তের আঁচ
শিশির ভেজা সন্ধ্যায় পাগল পারা সুবাস
ছাতিম ফুলের মধু গন্ধে ভরেছে বাতাস
দুরে কোথাও মায়ের বোধন বাজছে দেখো ঢাক।।

চিরসবুজ গাছটি করে ছায়ার বিস্তার
ছাতিম তলায় পড়তে বসার আর নেইকো পাঠ
ঔষধি গুন যা আছে তার সবই ভুলেছি আজ
তবু দেখো গন্ধ বিলোয় কেমন নির্বিকার

মূলাবর্তে সাতটি পাতা "সপ্তপর্ণী" নাম
বিস্মৃত প্রায় পুষ্প, শরত সন্ধ্যার আঘ্রাণ
চার পাপড়ির সাদা ফুলে ঢেকে দেয় গাছ
সুতিব্র ঘ্রাণ সঙ্গে আনে শিতের হীমেল আঁচ

মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৮

রইনু আমি একা

একা ছিলাম খাসা ছিলাম মনের আনন্দেতে!
ইচ্ছে পাখির পাখায় পাখায়, পাগল মনটারে
উড়িয়ে দিতাম যখন তখন দুর আকাশপারে;
সুখের ভেলায় গা ভাসিয়ে কাটছিল দিন সুখে।
আসে পাশে সবাই দেখি, দাম দিয়ে দুখ্ কেনে।
সবাই সদাই বলতে থাকে, দূঃখি ছেলে আহা;
একা একাই ঘুরছে দেখো সঙ্গি, সাথী ছারা।
আমি তখন-আপন মনে আপনি আত্মহারা;
কাটছিল বেশ হচ্ছিল শেষ, জীবণ বাঁধনছারা।
লোকের কথা শুনে শুনে আমি পাগলপারা।
মরুভুমিতে খুঁজতে বেরই আমি মরীচিকা।
নিঃঝুম রাতে যখন সবার ঘুমিয়ে পরার কথা;
এমন সময় দৈবযোগে তোমার পেলাম দেখা।
কথায় কথায় এমন করে অনেক সেরাত জাগা;
এমন করেই কখন যেন একটু কাছে আসা;
মনের কোনে জাগিয়ে তোলে টুকরো টুকরো আশা।
কখন যেন বাঁধন যত ভাঙলো যে তার বাধা!
শরীর ও মন একই সুতায় পড়ল কখন বাঁধা?
পরস্পরকে কাছে পেতে আলোর বেগে ছোটা!
বাঁধলো যে গোল তখন থেকেই, ভুল বুঝিবা করা।
সুখের মোহো কাটিয়ে উঠে দাম দিয়ে দুখ্ কেনা;
একুল গেলো ওকুল গেলো রইনু আমি একা।।

সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৮

নিঃস্ব

সব কিছু তোমায় দিয়ে নিঃস্ব আমি যখন,
নিজেকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করি তখন
তোমার মধ্যে হারিয়ে যাওয়া, আমার আমি তখন
ব্যাঙ্গ কোরে বলে আমায় যা ফিরে যা এখন।
প্রিয়ার এখন মনটা খারাপ, খুঁজতে হবে কারণ।
আরও অনেক কাজ রয়েছে, ভিষন ব্যাস্ত এখন।
হায়রে আমি নিঃস্ব এখন, নিঃস্ব ভিষন রকম।
একটু দূরে তফাত হয়ে দাঁড়িয়ে আমি এখন,
আপন মনেই দেখতে থাকি আপন রক্তক্ষরণ।
স্মৃতিপটে খুঁজতে বসি সুখের রাত্রি যাপন;
এই অধরে আজকে আমার হাসতে মানা বারণ;
একা একা অপেক্ষাতে আসবে কবে মরণ।।

শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৮

রোজ দেখা হয়

অফিসের পথে রোজ দেখি,
চলে যায় একা একা রিকশায়।
কলেজে নাকি অফিসে কি জানি কোথায়
রোজ শুধু একঝলক, একঝলক দেখা হয়।।

সুন্দরী না সেরকম কিছু নয়,
না মনে কোনো অনুভুতি জাগায়।
তবু মন কি জানি কি খোঁজে, প্রতিদিন রাস্তায়
আর কেনই বা আজ এখন সে এই কবিতায়।।

সেও কি করে লক্ষ আমায়,
করুক বা না করুক কি আসে যায়।
মন কেন কিসে আনন্দ পায়, কেইবা তা বোঝে
বেশ ভুশা নাকি ব্যক্তিত্ব কিজানি কি টানে আমায়।

নাম ঠিকানা কিছুই জানি না,
জানি না কিছু শিক্ষা সংস্কৃ্তির বিষয়।
তবু কেন জানি দেখে মনে হয়, শিক্ষিত নিশ্চয়
পরিপাটি বেশ যেন তার পছন্দের নমুনা দর্শায়।

যখন যেখানে কর্ম সুত্রে যাই,
এমনই কোন মানুষের দেখা পাই।
নাম না জানা মানুষ গুলো এমনই আপন হয়
ভাললাগা আর অভ্যেস কেমন আপনি পাল্টায়।।

বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৮

প্রণয়ের ছবি

মনের তুলিতে সোহাগের রঙ মেখে
প্রণয়ের ছবি আঁকি তব দেহ পটে
ফাগুন বাতাসে যেমন মহুয়ার গন্ধ ভাসে,
দেহ বাস তব মনকে মাতায়, কাছে ডাকে
বারে বারে তাই নিজেরে হারাই, তোমারে
খুঁজি, খুঁজে ফিরি একান্তে তোমাকে।

জানি নেই মোর অধিকার, এছবি আঁকিবার
তবু জেনো বার বার মন চায় পথ হারাবার
ওই উত্তাল উচ্ছল নদীর আঁকে বাঁকে, খুঁজে
ফেরে সেই সুতীব্র ঘ্রাণ, আর পেতে চায় স্বাদ
সেই অমৃত ঝর্নার, আহুতি দিতে চায় নিজেকে
তোমাতে, পাপ-পুণ্য ভুলে চায় মিলিতে তোমাতে।।

বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮

এত সহজে কি ভুলে যাওয়া যায়

এত সহজে কি ভুলে যাওয়া যায়,
যখন ভুলে যাওয়াটা দরকার মনে হয়;
আজ জুড়ে রয়েছো আমার কবিতায়;
একদিন তোমাকে ভুলে যাব নিশ্চয়।
তুমিও মনে রাখবেনা আমায় মনেহয়;
হোক সে তোমার ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়,
যদি মনে পরে কভু একা জানলায়;
টুকরো স্মৃতি, ব্যাথা, সপ্ন প্রেমময়,
যেনো ভুলে যাওয়া এত সহজ নয়।

সময়ের নিয়মে ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়,
দূরে সরে যাওয়া সেতো পাপ নয়।
তবু তার স্পর্শকে ভুলি কি উপায়;
কে কাকে ভুলিয়েছি সোহাগের গহনায়!
কারইবা হল জয়, কারইবা পরাজয়?
দুজনাই আজ বড় একা, বড় অশহায়;
সহজে কি সব ভোলা যায় এক লহমায়?
একসাথে ছুয়ে থাকা মূহুর্ত কতিপয়,
হৃদয়ের কোনে জেগে আছে অব্যয়।
ভুলে থেকো ভাল থেকো এটুকু হায়,
প্রার্থণা মাঙ্গি করজোড়ে হে দয়াময়।।

মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১৮

ক্লান্ত

ক্লান্ত বড়, ক্লান্ত বড়, ক্লান্ত লাগে আজ।
নিশ্বাসে নিশ্বাসে আজ ওঠে নাভীশ্বাস।
হাজার বছর ধরে পার হয়েছি কত পথ,
ধরতে চেয়ে হাত বাড়িয়েছি কতবার;
কত লক্ষ পৌঁছেছি, ভ্রষ্ট হয়েছি কত,
ধরে থাকা হাত ছেরে গেছে কতবার।
দেখেছি লজ্জারুণ চোখ, ঘৃণা, অপবাদ
সাজানো বাগান কত হয়েছে ছারখার।
সুখের ভেলায় আমি ভেসে গিয়েছি বহুবার
দূঃখের ডাকে তবু ফিরে ফিরে আসি,
জানি আর কোনো নেই পথ পালাবার।

কখনও কারও উদ্বেলিত বুক, দিয়েছিল,
দিয়েছিল ক্ষণিকের ভালবাসা মাখা
আশ্রয় সুখ, দুই চোখে সুপ্তি নেমেছিল।
ক্ষণিকের তরে, থেমে গিয়েছিল বেলা।
সিত অধরের অমিয় অমোঘ সে আকর্ষণ,
গভীর যতনে ভরেছি সোহাগে করেছি লেহন।
স্বেদ সিক্ত বাহুমুলের ওই সুতীব্র সুবাসে,
মেতেছি দেহজ প্রেমের অমল আমোদে।
পরতে পরতে উজাড় করেছি গভীর গহনে
হারিয়ে গিয়েছি জরিয়ে ধরেছি বক্ষ মাঝারে।
চোখ খুলে দেখি আমি একা একি
দাঁড়িয়ে রয়েছি খাদের কিনারে একোন আঁধারে?

সোমবার, ১ অক্টোবর, ২০১৮

আনন্দের ভাগ

মা আসতে আর তো কদিন,
বাজবে বোল তাক্ ধিনাধিন্।
সাজবে যে সব ওলি গলি,
আনন্দ আর আলোয় মাতি।
পাড়ার মোড়ের ব্যাস্ত গলি,
মাতবে পুজোর দিন গুলি।
চারিদিকে আলোর ছটায়,
অন্ধকারকে হার মানায়!
রাস্তা ঘাটে হেথায় হোথায়,
কারা যেন পসরা সাজায়।

ফুটপাতের ওই মানুষ গুলো,
এই কটাদিন কোথায় হারায়?
ভিড়ের মাঝে কোন্ সে খাঁজে,
এই কটাদিন ওরা লোকায়!
নতুন জামা নতুন জুতো,
ওদের কে কেইবা জোটায়?
সারা রাত্তির ভিড়ের মাঝে,
কোথায় ওরা কেম্ নে ঘুমায়?
পুজোর খুশি ওদের মনেও,
একই ভাবে দোলা কি দেয়?

কোটি টাকার মন্ডপে আর,
আরও দামি প্রতিমা সাজায়ে;
সবাই দেখো প্রথম হবার,
আপন আপন দাবি জানায়।
ওদের কথা ভাবার মোদের,
কোথায় এত ফালতু সময়।
গরীব ওরা বাঁচুক মরুক,
মোদের তাতে কি আসে যায়?
তবুও হঠাৎ চলার পথে,
ভুলেই যদি চোখ চলে যায়
সত্যি করে বলতে পারো,
চোখ দুটি কি ভেজে না হায়?

এসো না আজ সবাই মিলে,
আনন্দটা ভাগ করে নি।
পুজোর খরচ একটু নাহয়,
একটু নাহয়, কম করে দি।
ফুট পাথের ওই মানুষ গুলোর,
মাথার উপর ছাদ গড়ে দি?
মন্ডা মিঠাই হোক বা নাহোক,
দুবেলা দু'মুঠ ভাত তুলে দি।
সবাই মিলে এসো না আজ,
আনন্দটা ভাগ করে নি।।

শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

নাম হীন

অনেক দিন হয়নি লেখা,
                    করছে হাত সুর সুর।
মাথার মধ্যে কথার ভেলা,
                    করছে তাই ঘুর ঘুর।
বুকের মধ্যে সকাল সাঁঝে,
                    করছে কেনো দূর দূর?
সপ্ন গুলো এদিক ওদিক,
                    হচ্ছে কেনো চুর চুর ?
যদিও দেখি চতুর্ দিকে,
                   পুজোর গন্ধে ভুর ভুর।
বিকোচ্ছে সব জামা কাপড়,
                    কেমন কোরে হুর হুর।
আনন্দের এই সময় টাতেও
                    পেটের মধ্যে গুর গুর।

কোথায় যাব তোমায় পাবো,
                    আর হাঁটতে হবে কদ্দূর।
সম্পর্কের ওই মেঘের ছায়ায়,
                    উঠবে আশার রোদ্দুর।
খুঁজছি ফিরে আবার ঘুরে,
                    হারানো সেই কোন সুর।
জানি তোমায়, যতও বলো
                    মন ভালবাসায় ভরপুর।
রাগযে তোমার হাওয়ায় মেশে,
                    জ্বললে যেমন কর্পূর।
তাই এ মন যায় ভেসে যায়,
                    বাঁধনছারা কোন সুদূর।
তাইতো তোমায় দূরে সরাই         
                    বুঝি সময় বেটাই শত্তুর।

শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ভবিষ্যতটা গড়তে চেয়ে

দ্যেখোরে হায় বিদ্যজনে,
লাগায় সুক্ষ্ম মাথা।
কেমন করে পাইয়ে দেবে,
কাকে বিধানসভা।
ভুল বোঝাতে সিদ্ধহস্ত,
ভীষন বাগ্মী ওরা!
ইতিহাসতো হাতের মুঠোয়
যেমন খুশি গড়া!

জনগণ সে ভীষন বোকা,
পাগল পারা খ্যেঁপা।
উড়তে থাকে হাওয়ার সাথে,
যেমন ঝোড়ো পাতা।
তাই তো ওদের ভুলবুঝিয়ে,
সবাই মোড়ায় মাথা।
রাজনীতিতে ভীষন কাঁচা,
ভীষন সিধাসাধা।
প্রতিশ্রুতি শুনলে হোলো,
সত্য মানেন তাহা।
বিদ্যজনে কহেন যাহা,
সদাই মানেন তাহা।

প্রশাসন সে খেলার বস্তু,
সুখ সপ্ন আহা।
মন্ত্রীরা সব খেলছে নিয়ে,
মনের সুখে আহা।
কেউ যদিবা চেষ্টা করেন,
জেনো দৃষ্টিকটু তাহা।
রোষের আঁচে পুড়বে জেনো,
তাহার কচি মাথা।

আরও আছেন, সঙ্গে থাকেন,
সকলকে এগিয়ে রাখেন;
এদের, ওদের, তাদের নিয়ে,
সকলকে মাতিয়ে রাখেন।
সত্য মিথ্যে খবর গুলোর,
টিআরপি মাপতে থাকেন।
সবই দেখেন সবই বোঝেন,
করার বেলায় চক্ষু মোদেন।

আসুন না আজ পড়তে বসি,
ইতিহাস টা একটু বুঝি।
প্রতিশ্রুতির ছটার পারে,
বাস্তবটা বুঝতে শিখি।
ভবিষ্যত টা গড়তে চেয়ে,
নিজেদেরকে একটু গড়ি।

মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কে?

বড্ড ক্লান্ত লাগে আজকাল,
প্রতি মুহুর্তে হচ্ছি নাকাল।
ক্লান্তি ছরাচ্ছে তার জাল,
প্রতিমুহূর্ত সকাল বিকাল।
ভাবনা যত আকাশ পাতাল,
জরাচ্ছে মন করছে নাকাল।
মনের কোনে এত জঞ্জাল,
দৃশ্য দূষণ করছে দেওয়াল।
শুভ চেতনার বড্ড আকাল;
লোভের বাতাস বইছে দামাল।
কে আছে আজ দেবে তা সামাল?
কেউ করেনি কাউকে বহাল;
জীবন দেখো হারাচ্ছে তাল।
চলবে এমন আর কতকাল,
মানুষের রক্তে রাজপথ লাল।
মদ্য পানে সমাজ বেসামাল,
বন্ধ দুচোখে কে জ্বালবে মশাল।
কে আজ হবে অশুভের ঢাল?
ছেড়ে নিশ্চিত ভাত মাছ ডাল,
কে শোধরাবে আমাদের পরকাল?

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

প্রার্থনা

আনন্দে মন ভরে,
মনে জাগে ভাবনা।
ওরা কারা খুঁজে পড়ে,
আমারও কবিতা?
মন দিয়ে করি তাই,
কবিতার সাধনা।
যতদেখি বাড়ে ওই,
পাঠকের গণনা।
আনন্দে হৃদয়ের,
কোনে জাগে বাসনা।
লিখে চলি আনমনে,
ভুলে নাম ঠিকানা।
নিতান্ত এলেবেলে,
ছোটদের খেলনা।
কারো মুখে হাসি ফোটে,
কারো কাছে যাতনা।
যদি হায় হৃদয়ের,
কোনে জাগে বেদনা।
লিখে ফেলি চট করে,
মুখে কিছু বলিনা।
ঘুরেফিরে করি তার
রুপের বর্ণনা।
কত সব মন গড়া,
অদ্ভুৎ ঘটনা।
সাদা কালো রঙে হায়
ফিরে পায় চেতনা।
লিখে রাখি কবিতায়,
সব দেনা পাওনা।
ব্যক্ত করি ছিল যত
মনে অনুশোচনা।
গড়ে চলি এক মনে
কবিতার গহনা।
সকলের কাছে আজ
করি এ প্রার্থনা।
আশীষ করুণ  সবে
হোক শুভ চেতনা।

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

একা

একা একা চলতে যে পথ,
নেইকো কোনো বাধা।
হৃদয় তবু তোমায় খোঁজে
মন পরেছে বাঁধা!

একা একা ভালো থাকা,
নিজের মতো বাঁচা।
তোমায় তবু খুঁজছে ফিরে,
আজব এ এক ধাঁধা!

একা একাই সপ্ন দেখা,
একাই ছবি আঁকা।
সপ্নে ফিরে তোমার দেখা,
তোমার ছবি আঁকা!

চলতে গিয়ে চলার পথে,
হঠাৎ হোঁচট খাওয়া;
খুঁজছে ফিরে তোমায় দুহাত,
তোমায় ফিরে চাওয়া।

চলতে চেয়ে একলা পথে,
এ কোন পথ চলা?
পথের পাড়ে দাঁড়িয়ে তুমি,
পথ চলেছো একা!

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কেউ কারো নয়

আমায় নিয়ে তোমার মনে
অভিযোগের ঝুড়ি,
সবই খারাপ তবুও আবার
করছো জোড়াজুড়ি,
আমার কাছে চাইছো তুমি
গয়না, জামা-ঘরি
তোমায় নিয়ে এখন আমি
কোথায় কিযে করি
তোমার কাছে আমার শুধু
এইটুকুতো চাওয়া,
একটু যদি বুঝতে পারো
হৃদয়ে লাগে হাওয়া,
বারংবার হারিয়ে গেলেও
আবার ফিরে চাওয়া,
কি জানি হায় কিসের টানে
নিজের ক'রে চাওয়া,
তারও বেশি চাইলে পরে
একটু খানি ছোঁওয়া।

দুঃখ তোমায় বলছি শোনো
রয়েছে যা এই মনে,
দিতে যা চাই আমি তোমায়
তোমার খারাপ লাগে,
নয়তো আমি রাজপুত্তুর
না আমি আরব শেখ,
তোমার যাচাই দেবো তাহাই
হবে না রকম ফের,
অতিসাধারন মানুষ আমি
সামান্য কিছু আয়,
তারও পরে আছে অনেক
লোন মেটানোর দায়,
মাসের শেষে পকেট তাই
হয় যে গড়ের মাঠ,
তবু জেনো অনেক কিছুই
হয়যে মনের সাধ,
তোমার ইচ্ছে পুরন ক'রি
মেটাই তোমার সাধ,
আমার ইচ্ছা হওয়ায় ভাশুক
নীল সমুদ্দুর পাড়,
সময় নদী ফল্গু ধারায়
আপন ছন্দে বয়,
তুমিও জানো আমিও জানি
কেউই কারোর নয়।।

অন্তরাল

সম্পর্কে চৈত্রের রুক্ষতা  ঝরে পড়া স্মৃতি, উড়ায় কালবৈশাখী।  আচমকা মনে জমে মেঘ বৃষ্টি নামে তেড়ে,  ভেজায় দুই আঁখি।  শীতলতার আমেজ দিয়ে উষ্ণতা ফে...