সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

সন্ধান

খুঁজছি তোমায় আকাশ পাতাল,
মন্দিরে ও মসজিদে।
এই পৃথিবীর কোনায় কোনায়,
খুঁজছি নানান ফন্দিতে।
কোথায় তুমি লুকিয়ে আছো?
(হায়) করলো তোমায় বন্দিকে?

তোমার নাকি শক্তি অসীম
তবুও তোমার এমন দশা!
তোমারি তো সব তবুও নাকি
চাইছ তুমি সোনাদানা?
তোমারি সৃষ্টি এ সকল প্রাণী 
তবে কেমনে তুমি উৎকোচে চাও তারই রক্তধারা?

একটা কথা সত্যি করে বলো দেখি তুমি,
হরেক রকম প্রার্থনা সব শুনে ঝুড়ি ঝুড়ি;
বিরক্তিততে বলতে তোমার মন চায়না বুঝি।
আকাশ,বাতাস,সাগর,পাহাড়,নদী,সবুজ গাছপালা
দিয়েছি তোদের সপ্ন, ইচ্ছে সঙ্গে স্বাধীন কল্পনা
আর কি চাই,কি চাস তোরা আমার কাছে হতভাগা?

ইচ্ছে ছিল নুইয়ে মাথা বসব তোমার সামনেতে,
নিজের করে নিজের ভাষায় শোনাব তোমায় গানযে
দেখি রয়েছো তুমি ব্যস্ত ভীষন নানান নিয়ম যুদ্ধে।
সময় মাফিক ডাকলে পরে তবেই নাকি শুনবে,
মনের কথা মনেই রেখে বইয়ের লেখা শব্দে।
এমন তর প্রচার শুনে পরেছি ভীষন রকম ধন্দে,
কেম'নে তুমি মুক্তি দেবে নিজেই তুমি বন্দি যে?

সন্ধানে তাই খুঁজছি ফিরে সীমাহীন সেই ঈশ্বরে,
সাধনা যাঁর উপাসনা আর গানের কলির মন্তরে;
সবাই যে তাঁর পূজারী হায় সৎ থাকলে অন্তরে।
থাকেন যিনি সবার মাঝে, মন্দিরে না মসজিদে;
অর্থ কিম্বা রাজার থেকে অনেক বেশি শক্তিতে।
শ্রান্ত মনের আশ্রয় সেই চায় না আমায় শোধরাতে,
কোথায় তিনি কে জানে হায় বন্দী নাকি নির্বাসনে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

অন্তরাল

সম্পর্কে চৈত্রের রুক্ষতা  ঝরে পড়া স্মৃতি, উড়ায় কালবৈশাখী।  আচমকা মনে জমে মেঘ বৃষ্টি নামে তেড়ে,  ভেজায় দুই আঁখি।  শীতলতার আমেজ দিয়ে উষ্ণতা ফে...