যার উত্তরের অপেক্ষায়,
ফিরে ফিরে দেখো মোবাইলটায়;
হয়তো সেও অন্য কোথায়,
একই কথা ভাবছে হায়;
হয়তবা কোনও সংশয়,
কিম্বা হয়ত পাচ্ছে ভয়;
পাছে কোনও ভুল হয়।
এম'নি কতশত ভাবনায়,
দিন কাটে আর দূরত্ব বড় হয়।
সোমবার, ২৮ মে, ২০১৮
উত্তরের অপেক্ষায়
এই বেশ ভাল আছি
বিশ্বাস কর আমি ভালো আছি;
সবাই বলে আহা আমি নাকি একা!
আমি বলি একা আমি বেশ আছি,
আমি আর আমার সঙ্গি নীসঙ্গতা।
আর যদি চোখে আসে জল,
কখনবা মন হয়ে ওঠে চঞ্চল,
স্মৃতি টুকু শুধু ক'রে সম্বল
হাসি কাঁদি ক'রি কোন্দল
যার কথা ভেবে মন কাঁদে,
তার মনেও কি কিছু বাজে?
নাকি অন্যক'নো হৃদয় মাঝে,
সপ্ন সাজায় আর ঘর বাঁধে।।
শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮
শুরু
অনেক আগে পড়ার কালে
করোর চাপে ঝোকের বসে
কবিতা লেখা খেলার ছলে।
তার পর কখন পড়ার চাপে,
পড়ার শেষে কাজের মাঝে
কবিতা লেখা হারিয়ে গেছে
কখন কোথায় কে তা জানে।
আবার তোকে লিখতে দেখে,
মনের কোনায় ইচ্ছে জাগে।
তাতেই শুরু, চুপি সারে
অনভ্যস্ত, অপটু হাতে।
তবুও যেন কেমন কোরে,
লেখাগুলো তোর ভালও লাগে।
তাতেই মনে জোর আসে
কথা গুলো কবিতা হয়ে
খাতার পাতায় ছরিয়ে পরে
সখের বশে খেলার ছলে
হিজিবিজি লিখেই চলে।।
শুভরাত্রি ৩
সুজ্জিমামা অনেক আগে
রাগকরে সেই সন্ধে পানে
গেছেন চলে অস্তরাগে
চাঁদমামা তাই ওই ওখানে
চুপটি কোরে রাতটি জাগে
তারারা সব তারই পানে
কটমটিয়ে তাকায় রাগে
বাতাস আবার অন্যখানে
ধরেছে তান বেহাগ রাগে
সপ্নে যখন চোখ টানে
কেউ তখনও রাত জাগে
শুভরাত্রি জানাতে কানে।।
বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮
ইচ্ছে
অনেক রকম ইচ্ছে জানিস
আমার মনেও সুপ্ত আছে
বুকের ভিতর মনের মাঝে
আগুণ সুরটা ঠিকই বাজে
(তবুও) সময় এবং পরিস্থিতি
সবকিছুকেই ঠেকিয়ে রাখে
আদর খাবার ইচ্ছে জেনেও
শরীর টাকে গুটিয়ে রাখে
প্রদীপ শিখা ধিকধিকিয়ে
কোথাও জানিস জ্বলতে থাকে
একটা কথা জানিস তবে
বুকের মাঝে থাকলে পরে
জরিয়ে ধরতে থোরই লাগে।।
দীপ্যমান হৃদয়
তিনটি হাসপাতাল, তিন দল ডাক্তার
মিলেমিশে হয়েগেলো আজকে একাকার
বেঙ্গালুরু,দিল্লি,চেন্নাই, দেওঘর
কলকাতার বুকে একহয় এইবার।
তরুন "বরুন" হায় দুর্ঘটনায় প্রানদেয়
তবুও হৃদয়তার সাথনাহী ছারে হায়
পরিবার অন্যবুকে সে হৃদয় বাঁধতে চায়
এদিকে "দিলচাঁন্দ" তারওযে প্রাণযায়
বাঁচাতে তাকে হায় একটি হৃদয় চায়
কলকাতা শহরেতে সমাধান খুঁজে পায়
নোডাল ট্রান্সপ্লান্ট যোগাযোগ করেদেয়
বেঙ্গালুরু থেকে নিয়ে বরুনের সে হৃদয়
একদল ডাক্তার কলকাতা পারি দেয়।
ডাক্তার সার্জেন ভোরবেলা পাঁচটায়
দূর দক্ষিণ থেকে কলকাতা পৌঁছায়,
কলকাতা শহরটা রংরুপ বদলায়
ব্যস্তসমস্ত কলকাতার রাস্তায়
যতসব সিগন্যাল একসাথে গ্রীন হয়
দীপ্যমান হৃদযন্ত্র দ্রুত পথ পারি দেয়
অবশেষে "চাঁদ" তার বুকেতে "দিল" পায়।।
এতো সপ্ন কিম্বা গল্পনয় রুপকথার
ঘটনা আমাদেরি তিলত্যমা কলকাতার
নতুন ভারতবর্ষের এরাইতো রুপকার
কুর্নিশ জানাই মোরা এদের বারবার।।
মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮
একাকী
নিঃসঙ্গ একাকী ওই ছেলেটা
কর্ম ব্যাস্ততার মাঝে খুঁজে ফেরে
তার সেই কাঙ্খিত অধরা সপ্নটা
আর যেতে চায় সব কিছু ছেরে
আগামির সপ্নেরে সাথি কোরে
দূর থেকে আরও অনেক দূরে।
তার শৈশবের সুখকর দিনগুলি
তাকে আর সেভাবে ডাকে না
নতুনের ডাকে পুরানোকে ভুলি
নিশ্চিন্ত আশ্রয় তার মন বসে না
এ আশ্রয় জেন নিতান্ত মামুলি।
যৌবনের অনিশ্চয়তা আর
প্রত্যাশা কেরে নিয়েছে যার
সব ভাল লাগা আর আকাঙ্খা
কিছু পেয়ে হারানোর আশঙ্কা
হৃদয়ের দিন ছোট হচ্ছে প্রতিদিন
হাসি প্রেম ভালবাশা মুল্যহীন
সপ্নদেখার সাহস যে নেই হায়
ঘর বাঁধার সপ্ন চোখ রাঙায়
দিন তার কাটে অন্তহীন শুন্যতায়
অন্ধকার রাত মৃত্যুর ভয় দেখায়
বেঁচেথাকার কারন নাহি পায়
তাই মৃত্যুর বাহানা খুঁজে বেড়ায়।।
তুমি
জানলায় বৃষ্টির ছাঁট
সুনসান রাস্তাঘাট
হাতেতে তোমার হাত
চাইছি তোমার সাথ
মাঝরাতে।।
জানি কাটবে অন্ধকার
ঠিক হবে ভোর আবার
যদি তুমি সঙ্গে থাকো আমার
ভাসব সন্ধানে অজানার
একসাথে।।
ভেঙে সব বাধা
ওরে ঝরাপাতা
একসাথে গাঁথা
হৃদয়ের ভাষা
দুজনের।।
আরও যদি যাও
ফিরেপেতে চাও
গলাছেরে গাও
বাঁধ ভেঙে দাও
ওমনের।।
জেগেওঠা দরকার
চারিদিকে শোনাযায় মানুষের হাহাকার
খুঁজেফেরে অহরহ গনতন্ত্রের অধিকার;
কখনও উন্নয়ন কখনবা ধর্মকে হাতিয়ার
মিথ্যের জাল বোনে বারবার প্রতিবার;
মানুষকে বার বার ভুল পথে চালাবার
এসবই নোংরা খেলা শুধু ভোট হাতাবার।
এরও পরে বাকি যদি থাকে কিছু ঘটবার
বোমাবাজি কিম্বা চিরতরে সরাবার
সেসবও নতুন নয় তারও আছে কারবার
ব্যাথা কি বোঝে ওরা প্রিয়জন হারাবার?
প্রাত্যহিক সমস্যায় আমরাও জেরবার,
খুঁজেফিরি এসবের নিশ্চিত প্রতিকার।
যদিও নেই কিছু আমাদের হারাবার,
তবুও পিছুটানে অগোছালো সংসার
হয়ত কিছুই নেই আমাদেরও করবার
তবু বুকেতে সাহস নিয়ে জেগেওঠা দরকার।।
সুপ্রভাত
পাখির কুজনে, ভরিছে ভুবন
রাতের অন্ধকার করিয়া হরণ
পুব দীগন্তে দেখো উঠিছে তপন
মৃদূমন্দ ওই বহিছে পবন
নতুন দিনেরে ক'রি আবাহন
মঙ্গলময়কে করিয়া স্মরণ
সুপ্রভাত জানাই হে প্রিয়জন।।
সোমবার, ২১ মে, ২০১৮
ব্যাস্ততার মোড়ক
ছদ্ম ব্যাস্ততার মোড়কে
হৃদয়ের নগ্নতাকে ঢাকার
নিষ্ফল প্রচেষ্টা, পরস্পরকে
বোকা বানানোর দারুন খেলায়,
মেতেছে দুই আনারি খেলোয়ার
ভবিষ্যতে ভবিতব্য কি হয় দেখার
নিঃসঙ্গতা খাচ্ছে কুরে কুরে
লাল হৃদয় নিচ্ছে কালো আকার
মরুপ্রান্তরে একা ঘুরে ঘুরে
পথভোলা দুই পথিক মরীচিকার
পেয়েছিলো দেখা, বেঁধেছিল বুক
শিতল প্রানের স্পর্শে সিক্ত হবার
অন্তহীন চলার পথে দুদন্ড সুখ
খুঁজেছিল, আর হৃদয়ের খালি
পাত্রে দুআঁজলা সুখ চেয়েছিল
ভরে নিতে, কিন্তু হায় মরীচিকা
সে যে মায়া সত্য নয়, জালিয়ে
আশার আগুন, জিবনকে করে
তোলে বিভীষিকা ময়।
তাইতো মরীচিকারে পিছনে ফেলে
ওয়েসিসের খোঁজে জিবনের
কম্পাস খুঁজি ব্যাস্ততার আড়ালে।
আমলকী
বুক জ্বালা, গলা জ্বালা, পেটে ভারী ভাব
উঠ্ছেকি চোঁয়া ঢেকুর? ভয় নেই আর
এসে গেছি আমি ভাই নিয়ে আমলকী
আছেযা সমস্যা, সমাধান হবে পাকাপাকি।
দাদা দুপ্যাকেট দিন তো, এই নিন দাদা
এখানে দাদা কে দু প্যাকেট দিলাম,
আর কাউকে দেবো, এদিকে দাদা
আমাকেও, দাদাকেও দু প্যাকেট দিলাম।
আজ শুরুটা বেশ ভালই হয়েছে, বিক্রি
হয়ছে দশ প্যাকেট, কালতো সারাদিন
মাত্র পনেরো প্যাকেট হয়েছিল বিক্রি
যাক ওরম হয় মাঝেমাঝে এক আধদিন।
ও প্যালা দা দুটো গরম চপ দাও দেখি
আর শোনো দুটাকার মুড়িও দিয়ে যেও
নে নে চপ ধর আর ব্যাপার কি বল দখি
আজ আবার মুড়ি? খুব বিকোচ্ছে জিও!
প্যালা দার এ চপের জুরী মেলা ভার
দুটো চপ সঙ্গেতে মুড়ি দু'টাকার, তার
পর পেট পুরে খেয়ে নিলে জল, খিদে
তুমি যাবে ভুলে, দিনভর পেট ভার ভার।
এই ভাবে দিন কাটে, পেট ভার ভার
কারও সেটা ভরা পেট, কারও ভার ভার;
ওই দেখো আমলকী বিকোয় আবার
কারও সেটা ভরে পেট, কারও বা আবার
ভার হওয়া পেট খালি করার জোগাড়।।
শুভরাত্রি ১
রাত্রি দ্বিপ্রহর, বিছানায় একা
মন করে ভার, অভিমানে সখা
ভাবি কত কথা, চাই তবু ক্ষমা
আর দূর থেকে দূর হতে থাকা
তুমি জেনো শুভরাত্রি নিরুপমা।।
শুভরাত্রি
সারাদিনের কর্মময়,
দিনের শেষে রাত্রি হয়।
জিবন এখন ছন্দময়,
কত রকম গল্প কয়।
রাত্রি যতই গভীর হয়,
বাতাস ফুলের গন্ধবায়;
মনের মানুষকে ছুঁতে চায়
ভরিয়ে তুলে ভালবাশায়
শুভরাত্রি বলতে চায়।।
রবিবার, ২০ মে, ২০১৮
টানাপোরেন
আপন মনে কাজের ঘোরে,
কাটছিলো দিন মহাসুখে;
হঠাৎ কোরে দুরভাষে,
খুঁজতে গিয়ে অন্য জনে!
আমার সাথে কথা তোমার
একেবারেই অন্যভাবে।
ভয় পেয়ে মধ্যরাতে,
আমার কাছে বার্তা আসে।
মরুভুমির মাঝে যেন
ওয়েসিসের দেখা মেলে।
ভিষন রকম অন্য ভাবে
কারো কথা বলতে থাকে।
এমন ভাবেই চলতে থাকে,
কথার পিঠে কথা বাড়ে;
আবদারে আর আল্হাদে,
মনটাকে মাতিয়ে রাখে।
দেহ মনের মাঝের দেওয়াল
হঠাৎ কখন ভেঙে পরে।
এসব নিছক খেয়াল বলে,
আপন মনকে ভুলিয়ে রাখে।
কিন্তু যখন শাস্তি ভুলে,
ভালবাশায় জরিয়ে ধরে।
শরীর ভরে শ্রাবণ ধারা,
সবকিছুর বাঁধ ভাঙ্গে!
ইচ্ছে গুলো কেমন যেন,
আপন বলে লাগতে থাকে।
হঠাৎ আবার আবেগগুলো,
শালিনতার বাঁধ ভাঙ্গে।
তোকেই নিজের ভেবে মনে,
ঘর বাঁধার সপ্ন বোনে।
কারোর কথা শুনলে পরে,
মনের মধ্যে মেঘ জমে!
তবুও কথা চলতে থাকে,
আপন মনে পাগল বলে;
কখন যে ভাব কখন আড়ি,
বোঝা এখন শক্ত ভারী।
আবার আসা কাছাকাছি,
বাঁধভাঙ্গা সেই অনুভুতি!
মনের মাঝে বিঁধল ভারী,
আনমনা মন সসঙ্কোচে।
আড়াল খোঁজে তারাতারি,
বুঝতে তুই পেরেইছিলি!
তবুও কেনো এরিয়ে গেলি?
আমি এখন আয়না দেখি,
চোখটাকে সরিয়ে ফেলি;
নিজেকে ফের কাজের মাঝে
খুঁজেফেরার চেষ্টা করি।।
আকুতি
ঝড় দিসনে পাগল হাওয়া
সুন্দরীর ঘরে,খোলা বুকে
বালিসটাকে জরিয়ে ধরে
রেখে, ভীরু চোখে সে যে
তখন বিছনাতে মুখ ঢাকে।
তার মোমের আলোর মত
শরীর, কোনো গোপন প্রেমিককে
জরিয়ে ধরতে চেয়ে, কান্নার
ফোঁটা ঝড়ায় একা প্রতিক্ষায়।
তার পর ব্যার্থ প্রচেষ্টায়,
দীর্ঘশ্বাস ছরায় বাতাসে।
কামনা ক্লান্ত, দিঘির কালো
জলের মত ঢলঢলে শরীর,
প্রেমিক কাপুরুষের আঁকা
ব্যাথার দাগ ভুলতে চায়।
মেঘ ডাকিস নে তবু,
বিরহীনির ঘরে, খোলা বুকে
বালিসটাকে জরিয়ে ধরে,
তিরতিরিয়ে কাঁপতে থাকে
ভিরু দীপশিখার মত, কোনো
এক বিক্রমী পুরুষ শিংহকে
কাছে পাওয়ার অপেক্ষায়।।
আশঙ্কা
দূরভাষ বেজে ওঠে কোন এক
ব্যাস্ত সকালে, প্রাতরাশের একটু পরে,
স্ত্রীরোগবিশারদ শ্রীমতি সেন
দূরভাষে, ওপারে কোনো এক
পুরুষ কন্ঠ বিচলিত বিব্রত যেন
কিছু বলার অনুমতি খোঁজে একটু
সময় চেয়ে, ব্যাস্ততার মাঝেও
অনুমতি মেলে, ইতস্তত্ কন্ঠ
বলে স্ত্রী সন্তানসম্ভবা তার; এতো
খুসির খবর এতে কি আছে
ইতস্তত্ হবার? আশঙ্কা ব্যাক্ত
করে পুরুষটি এবার, গর্ভে লালিত
ভ্রুণ, কন্যা সন্তান হবার; বিরক্তি
স্পষ্টহয় শ্রীমতির গলায়, তাতে কি
আছে আমার করার? আবারো
ইতস্তত্ কন্ঠে প্রস্তাব আসে
গর্ভপাত করাবার! অশ্বস্তি বিরক্তি
আর ঘৃণা ভরে প্রশ্ন আসে ভেসে
কেনো? শুধুই কি মেয়ে বলে?
পুত্র সন্তান যদি থাকত এ ভ্রুণে?
সিক্ত রিক্ত ভিত কন্ঠ বলে ওঠে
দূরভাষের ওপার হতে, পুত্র নয়
কন্যা সন্তান চেয়ে এসেছি বারবার;
কিন্তু আজ বড় অশহায়, সামান্য
সাধারণ মানুষ আমি, ভয় হয়
কি করে বাঁচাব তাকে বর্বর সমাজের
মাঝে, যেখানে আট মাসের ছোট্ট
শিশু ধর্ষিত হয় রাজধানি তে
অথবা আসিফা কিম্বা কাঠুয়া
মেয়েটা খুন হয় রাতের অন্ধকারে।
আর সমাজ প্রতিবার চেয়ে প্রতিকার
মোমবাতি হাতে হাঁটে, গলা ফাটায়
ন্যায় আর মেয়েদের সুরক্ষা চেয়ে।
যেন সুরক্ষা সরকারী অনুদান, তাই
আমার ফুলের কুঁড়ি থাক নিশ্চিন্ত
ঘুমে মাতৃ জঠরে আর হৃদয়ে আমার।
শ্রীমতির কান্না ভেজা কন্ঠ ভেসে আসে
সান্তনা হয়ে, দূর্গাও এসেছিল অসুর
সংহারে পৃথিবীর বুকে; ফুলেরাও
উঠুক ফুটে, দরকারে তরবারি তুলে
দিতে হবে তাদের হাতে অসুর সংহারে।।
উপোশ
পেটের মধ্যে দারুন জ্বালা,
খিদের চোটে হচ্ছি সারা!
মানিব্যাগেও পয়সা ভরা,
সামনে হরেক খাবার রাখা!
তবুও খাবার নেইকো জোগার,
ডাক্তারে কইছে সেবার;
খালি পেটে রক্ত দেবার;
তবেই নাকি পরীক্ষাগার,
বলবে সঠিক অবস্থাটা;
তাইনা দেখে ডাক্তারেরা,
ওষুধ দেবেন করা করা;
পথ্য গুলোও কেমন যেন,
আজগুবি আর পাগলপারা;
কিন্তু তোমায় বলব কি ভাই!
কাজ হচ্ছে এইসবেতেই।
তাইতো আশা উপোশ রাখা,
এইভাবে আর কদিন হলে সারা;
যদিবা ভালো জায়গো থাকা।।
নাম
নামের মিলে তোমার সাথে,
অনেক কিছুই আসছে মনে;
চাইছি যত রাখতে দুরে,
জরিয়ে পরছি অন্যরুপে;
জানিস কি তুই নামের ফেরে,
কাছের মানুষ আমরা যেরে;
তবুও জানিস নিজের কাছে,
হচ্ছি ছোট নিজেই জেরে;
ভেবে ছিলাম অন্যকিছু,
কিন্তু খানিক মনের ভুলে,
রাতবিরেতে আবদারেতে!
ভুলের বোঝা বারলো তাতে;
আবার জেনো ইচ্ছেপুরন,
তাতেও ফাঁকি অনিচ্ছেতে।
বিনিদ্র রাত জাগার পরে,
উঠতে দেরি সকালেতে।
পথের মাঝে যানের অভাব,
সেটাও হবার ছিলো আবার;
ইচ্ছে ছিল কথাবলার,
সঙ্কোচে আর পাপের ভারে,
সহজ সে নয় বলতে পারার।
তবু যদি সব ভুলে যাই,
আবার মোরা ফিরে তাকাই;
দুজন আছি সেইখানেতেই,
খুব কাছেতেই অনেক দুরে।।
সুপ্রভাত
সকালটা আজ মিষ্টি দারুন
আবহাওয়ায় শিতল ভাব
আশা করি ঘুমটা সবার
হয়েছে কাল নির্বিবাদ
ওমা আজযে সোমবার
বসে থাকার সময়াভাব
সপ্তাহান্তে ছুটির শেষে
সবাইকে জানাই সুপ্রভাত
অন্তরাল
সম্পর্কে চৈত্রের রুক্ষতা ঝরে পড়া স্মৃতি, উড়ায় কালবৈশাখী। আচমকা মনে জমে মেঘ বৃষ্টি নামে তেড়ে, ভেজায় দুই আঁখি। শীতলতার আমেজ দিয়ে উষ্ণতা ফে...
-
কবিতারা আজ দেখি হারিয়েছে ছন্দ ঠিক যেন জীবনের দেখি প্রতিবিম্ব দেখেশুনে জাগে মনে বহুবিধ দন্দ কবিতার গায়ে কেন গদ্যের গন্ধ কবিতা তো শিল্প সে ...
-
মনটা আমার ভিষণ ভালো, খোলা হাওয়ায় উড়ছি। রোজইতো তাই নতুন নতুন, বাঁচার কারণ পাচ্ছি। আবার আমি নতুন করে, নিজেকে সাজাবো। সাতরঙা এই জীবন টাকে, র...
-
বসন্ত উৎসব শেষে, শীতের আবেশ গেছে কেটে। চৈত্রের দাবদাহ জানান দিচ্ছে, আসছে বৈশাখ আসছে। পুরাতন বছর জানে, তার আসন্ন অবসান। শেষ হবার আগে, শেষ...